পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। একজন মুমিনের জীবনে শারীরিক ও আত্মিক পবিত্রতার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
নামাজ, কোরআন তেলাওয়াতসহ বিভিন্ন ইবাদত-বন্দেগির ক্ষেত্রে অজু একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। অজুর মাধ্যমে একজন মুসলিম নিজেকে পবিত্র ও ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করেন।
হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) অজুর পর একটি বিশেষ দোয়া পাঠের ফজিলত বর্ণনা করেছেন।
হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু করার পর কালিমায়ে শাহাদাতের সাক্ষ্য দেয় এবং নির্ধারিত দোয়াটি পাঠ করে, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়ার সুসংবাদ রয়েছে। সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে। দোয়াটি হলো-
أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي مِنَ التَّوَّابِينَ وَاجْعَلْنِي مِنَ الْمُتَطَهِّرِينَ
উচ্চারণ: আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু, আল্লাহুম্মাজ আলনি মিনাল মুতাতাহহিরিন।
অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তার কোনো অংশীদার নেই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ (সা.) তার বান্দা ও রাসুল। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে তওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করুন।
হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত উমর বিন খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু করবে অতঃপর এই দোয়া পড়বে ... তার জন্য জান্নাতের আট দরজা খোলা হবে। সে যেটা দিয়ে ইচ্ছা সেটা দিয়ে তাতে প্রবেশ করবে।’ -সহিহ মুসলিম: ২৩৪
