ষাটের দশকের বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাসিমা খানের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বাদ জোহর রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও অভিনেতা সনি রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে নাসিমা খানের বড় ছেলে দেশে ফেরার পর আজ বাদ জোহর আজিমপুর কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
গত ১১ অক্টোবর রাত সাতটার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে মারা যান নাসিমা খান। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সূত্রে তখন জানা গিয়েছিল, তিনি বেশ কয়েক দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের শুরুর দিকের অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন নাসিমা খান। ১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। ১৯৬১ সালে ‘যে নদী মরু পথে’ সিনেমায় তিনি নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এ সিনেমার মাধ্যমেই তিনি সাফল্য পান।
ষাটের দশক থেকে আশির দশক পর্যন্ত বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে তিনি ছিলেন একজন জনপ্রিয় মুখ। সবশেষ ২০১১ সালে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ‘কুসুম কুসুম প্রেম’ সিনেমায় তাঁকে দেখা গেছে।
তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘সূর্যস্নান’, ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘উজালা’, ‘বেগানা’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’, ‘গৌরী’, ‘আমার বৌ’ ও ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’। এসব সিনেমায় তিনি বিভিন্ন সময়ে আনোয়ার হোসেন, হাসান ইমাম, রহমান, মুস্তফা, আজিম ও হারুনের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন।
বিআলো/শিলি