Published on
:
2 min read
চোরবাগান সর্বজনীনে ঠাকুর দেখতে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর পরে একের পর এক বড় পদক্ষেপ করছে কলকাতা পুলিশ। ইতিমধ্যেই রাজ্য পুলিশে কর্মরত ৯ জন IPS-কে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এর পরে রবিবার সন্ধ্যায় সরিয়ে দেওয়া হলো গিরিশ পার্ক থানার ওসি সুমিতকুমার ঘোষকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্বে এলেন হীরক দলপতি।
চোরবাগান সর্বজনীনের প্যান্ডেল গিরিশ পার্ক থানা এলাকাতেই পড়ে। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে মার্চ মাসে সুমিতকুমার ঘোষকে গিরিশ পার্ক থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। অন্য দিকে হীরক দলপতি গোয়েন্দা বিভাগের ইন্সপেক্টর। তাঁকে সেই দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি গিরিশ পার্ক থানার ওসি হিসেবে যোগ দিতে বলা হয়েছে। তবে সুমিতকে কেন সরানো হলো সেই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
কলকাতা পুলিশ কমিশনারের অফিস থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘কলকাতা গোয়েন্দা বিভাগের ইন্সপেক্টর হীরক দলপতিকে গিরিশ পার্ক থানার ওসি হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হলো।’ জানা গিয়েছে, নিজের বর্তমান দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি গিরিশ পার্ক থানার ওসি হিসেবে কাজ করবেন তিনি। রবিবার থেকেই তাঁকে অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলাতে বলা হয়েছে।
চোরবাগান বিপর্যয়ের পরে ব্যাপক রদবদল চলছে কলকাতা পুলিশে। রাজ্য পুলিশে কর্মরত শুভঙ্কর ভট্টাচার্য, মিরাজ খালিদ, রূপেশ কুমার, তরুণ হালদার, সৌম্য রায়, প্রিয়ব্রত রায়, দীপক সরকার, সুমনজিৎ রায় এবং মাহমুদ আখতারকে সাময়িক ভাবে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেকেরই ভিড় সামলানোর দক্ষতা রয়েছে বলে সূত্র মারফত খবর।
উল্লেখ্য, পুলিশ ও চোরবাগান সর্বজনীন সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় ঝেঁপে বৃষ্টি হচ্ছিল। রাস্তায় ছিল তীব্র যানজট। সেই সময়ে আচমকাই হুড়োহুড়ি শুরু হয়। বৃষ্টি থেকে বাঁচতে অনেকেই মণ্ডপের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ২৫ জন। মৃতদের পরিবারপিছু একজনকে সরকারি চাকরি ও ২৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন তিনি। পাশাপাশি আহতদের ৫ লক্ষ টাকা করে দেবে রাজ্য সরকার।
