হেলাল উদ্দিন লিটন, তজুমদ্দিন ॥
ভোলার তজুমদ্দিনে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় পরিচালিত অভিযানে ৯ জেলেকে আটক, ৩টি নৌকা, জাল ও মাছ আটক করে। আটক জাল আগুনে পুড়ে ধ্বংস করা হয়। মাছ বিভিন্ন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় বিতরণ করেন। নৌকা মৎস্য অফিসের হেফাজতে রয়েছে।
উপজেলা মৎস্য অফিস সুত্রে জানা গেছে, রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকাল থেকে তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেনের নেতৃত্বে মৎস্য অফিস ও কোষ্টগার্ড মেঘনার বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালা করেন। এসময় মেঘনার বাসনভাঙ্গা চরে দক্ষিণ পাশে মাছ শিকার করা অবস্থায় ৯ জেলে ও ৩টি মাছ ধরার ট্রলার, জাল ও মাছ আটক করে। আটক জাল শশীগঞ্জ মৎস্যঘাটে আগুনে পুড়ে ধ্বংস করা হয়। মাছ বিভিন্ন হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোডিংয়ে বিতরণ করেন। আটক নৌকা মৎস্য অফিসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিজ্ঞ নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট ও তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ বনি আমিন আটককৃতদেরকে প্রত্যেককে ১০দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ডের রায় প্রদান করেন। সাঁজাপ্রাপ্তরা হলেন, মোঃ শাহিন (৩৮), মোঃ জামাল (৪০), রিপন (২৯), মোঃ শাকিল (২৪), মোঃ সবুজ (২০) আঃ রব বাকপ্রতিবন্ধী (৫২), আরিফ (৩০), রুবেল (২৯)। অন্যদিকে হৃদয় নামের এক জেলে অপ্রাপ্ত বয়সের হওয়ায় তাকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। আটক প্রত্যেক জেলে বাড়ি লালমোহন ও মনপুরা উপজেলায় বলে জানা গেছে।
জানতে চাইলে তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতে বিজ্ঞ নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বনি আমিন বলেন, মেঘনায় অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিষেধাজ্ঞার ২২দিনে যে কেউ সরকারি আইন লঙ্গন করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না।
