

কক্সবাজারে মেরিনড্রাইভে টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে চার জন নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনজনকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাদের হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে।
এর আগে আগুন লাগার খবরে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট। কক্সবাজার থেকে স্টার নিউজের প্রতিনিধি ফায়ার সার্ভিসের বরাতে জানান, আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
এদিকে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, দুই জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে গেছে।
সারের ডিলার না দেন, বিষের ডিলার দেন: ফেসবুকে ছাত্রদল নেতা
রাজারহাটে সারের ডিলারশীপ নিয়ে আত্মীয় করণের অভিযোগ তুলে ছাত্রদল নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,সারের ডিলারশিপ না দেন,বিষের ডিলারশিপ দেন-ত্যাগী কর্মীরা মরে যাক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করেগত ১৭ অক্টোবর দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এমন মন্তব্য করেছেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হান ফেরদৌস সজীব। বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের সার ডিলারশিপ না পাওয়া ও কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভে তিনি এ মন্তব্য করেছেন বলে জানান। তাঁর মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। রায়হান ফেরদৌস সজীব রায়হান ট্রেডার্সের মালিক। তাঁর দাবি,বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের সার ডিলারশিপের জন্য সুপারিশে তাঁর নাম দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মেসার্স বিদ্যানন্দ ট্রেডার্সের মালিক মোস্তফা জামাল ডিলারশিপ পান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ফেসবুকে ওই মন্তব্য করেন। সজীবের অভিযোগ,মোস্তফা জামাল ও তাঁর পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাঁর দাবি,দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার পরও তিনি ডিলারশিপ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেসার্স বিদ্যানন্দ ট্রেডার্সের মালিক মোস্তফা জামাল। তিনি বলেন,এগুলো সব মিথ্যা। আমি ও আমার পরিবার আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। ডিলারশিপ পরিচালনা নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা জামাল বলেন, “হারুন উর রশীদ আমার জন্য একটু কথা বলাবলি করছিল। আমার নামে ডিলারশিপ,আর আমি চালাবো। অর্থাৎ ডিলারশিপের ব্যবসা তিনিই পরিচালনা করবেন বলে জানান তিনি। রায়হান ফেরদৌস সজীবের দাবি,প্রায় ১৭ বছর ধরে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। ২০১১ সালে বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,২০১৩ সালে রাজারহাট উপজেলা ছাত্রদলের কোষাধ্যক্ষ এবং ২০২১ সাল থেকে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২২ সালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের জিয়া মঞ্চের সহসভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন বলে জানান তিনি। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন সময় হামলা- মামলার শিকার হওয়ার দাবিও করেন সজীব। তাঁর ভাষ্য,২০১৩ সালে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা একটি মামলায় তিনি আসামি হন। ২০১৭ সালে রাজারহাট সোনালী ব্যাংক চত্বরের সামনে যাওয়ার সময়ও হামলার শিকার হন বলে দাবি করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে কোমরের ব্যথায় ভুগছেন সজীব। তিনি জানান,বাংলাদেশে রংপুর ও ঢাকায় চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ২০২০সালে সকল প্রস্তুতি সম্পুর্ণ করেছিলো। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে বন্ধ হওয়ায় চিকিৎসা নিতে পারেনি। বর্তমানে আবারও উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁর দাবি,অসুস্থতার কারণে দৌড়াতে পারেন না; এরপরও বিএনপির কোনো দলীয় কর্মসূচি বাদ দেননি। সজীব আরও বলেন,আমি একজন জুলাই যোদ্ধা। ১৭ বছর ধরে বিএনপির জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করলাম। বিএনপি সরকার ক্ষমতায়,কিন্তু আমি বিএনপি করেও ডিলারশিপ পেলাম না। অথচ আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা ডিলারশিপ পায় কিভাবে?” এদিকে স্থানীয়দের আরও অভিযোগ,ডিলারশিপ মোস্তফা জামালের নামে থাকলেও ব্যবসাটি নিয়ন্ত্রণ করছেন বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন উর রশীদ। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হারুন উর রশীদ। তিনি বলেন,সবাই কেন জানি এটাই ভাবতেছে।” তাঁর দাবি,ডিলারশিপের সব কাগজপত্র মোস্তফা জামালের নামে এবং ডিলারশিপও তিনিই পেয়েছেন। এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায় বলেন,সরেজমিন তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। সার ডিলারশিপ নিয়োগ কমিটিতে আমিও আছি,আরও অনেকে আছেন। সবার সুপারিশক্রমে যাঁকে ভালো মনে হয়েছে, তাঁকেই দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে দেওয়া হবে না: ডিসি জাহিদ
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও অন্যতম শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের এই ঐতিহ্য কোনো অশুভ শক্তিকে নষ্ট করতে দেওয়া হবে না। আগামী প্রজন্মের জন্য এ সম্প্রীতি অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এবারের দুর্গাপূজায় মানুষের উৎসাহ ও অংশগ্রহণ বেড়েছে উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, সারা দেশে প্রায় ১ হাজার ৫০০টি এবং চট্টগ্রামে প্রায় ৪০০টি নতুন সর্বজনীন পূজামণ্ডপ হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে মণ্ডপগুলোতে সরকারি সহায়তাও বাড়ানো হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার শ্রীশ্রী জগন্নাথ মন্দিরে মহাষষ্ঠী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। জেলা প্রশাসক বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য এক দিনে গড়ে ওঠেনি। শত শত বছর ধরে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের মধ্য দিয়ে এ ঐতিহ্য তৈরি হয়েছে। ‘উৎসব কখনো একা করা যায় না, উৎসব হয় সবার’—এ কথা উল্লেখ করে তিনি সবাইকে নিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপনের আহ্বান জানান। দুর্গাপূজার নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় যান জেলা প্রশাসক। এ সময় আনসার, র্যাব ও ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদের অংশগ্রহণে যৌথ নিরাপত্তা মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। তিনি হলদিয়া ইউনিয়নের পাহাড়ঘেরা এলাকায় অবস্থিত জানিপাথর সর্বজনীন দুর্গামন্দিরসহ কয়েকটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রায় ৫০ বছরের পুরোনো জানিপাথর মন্দিরে এর আগে কোনো জেলা প্রশাসক যাননি। সফরকালে জেলা প্রশাসক রামদয়াল মাঝির বাড়ি দুর্গামন্দির, ডাবুয়া কাকলী সংঘ ও ঢেউয়াপাড়ার জগন্নাথবাড়ি দুর্গামন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় দুটি পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা দেন। এ ছাড়া সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদেরও আর্থিক সহায়তা দেন তিনি। হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক বলেন, গত বুধবার রাতে দুটি বাড়িতে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ধর্মীয় বা গোষ্ঠীগত কোনো বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি। কোনো স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করে থাকতে পারে। তিনি জানান, সম্প্রতি সোমবার ও বুধবারের অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলা হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। দ্রুত তাঁদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। জেলা প্রশাসকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে এবার ২ হাজার ৫৯৩টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নিরাপত্তায় প্রায় সাড়ে ১২ হাজার আনসার সদস্য ও পাঁচ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি র্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং স্বেচ্ছাসেবকদের পালাক্রমে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তাসংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত জানাতে পূজা উদ্যাপন কমিটিগুলোর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও খোলা হয়েছে। চট্টগ্রামের আনসার ও ভিডিপির জেলা কমান্ড্যান্ট মো. সেফাউল হোসেন বলেন, দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আনসার সদস্যরা সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকবেন। জেলা প্রশাসক আরও জানান, আগামী ২০ অক্টোবর চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসার কর্মসূচি রয়েছে। এ উপলক্ষে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসকের সফরসঙ্গী ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রাহাতুল ইসলাম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংছিং মারমাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা।

দর্শনা পৌরসভার সাবেক সভাপতির স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা পৌরসভার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সভাপতি মরহুম শওকত আলী খন্দকার, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ হাজী শওকত আলী খন্দকারের মৃত্যুতে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৬ অক্টোবর ভোর ৪ টার দিকে হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকালে দর্শনা রেল ইয়ার্ড চত্বরে দর্শনা পৌর বিএনপি সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দর্শনা পৌর বিএনপির প্রধান সমন্বয় হাবিবুর রহমান বুলেটের সভাপতিত্বে, দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয় কমিটির সদস্য শাহ মোঃ এনামুল হকের সঞ্চচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন বিজিএমইএ (বাংলাদেশ পোশাক প্রস্ততকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি) সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু, প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জান শরীফ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন, দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয় কমিটির সদস্য হাজী মশিউর রহমান, নাহারুল ইসলাম মাষ্টার, ইকবাল হোসেন, নাসির উদ্দীন, রেজাউল প্রমুখ। স্মরণ সভায় পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পদস্থ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে মরহুমের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। এসময় প্রধান অতিথি বলেন, মরহুম শওকত আলী খন্দকার একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ছিলেন। তার সবচেয়ে বড়গুন ছিল সর্বদাই সত্য কথা বলতেন। অনুষ্ঠানের শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয় এবং উপস্থিত সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

মুকসুদপুরে ব্যবসা ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরল ইউনিটি গ্রুপ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ব্যবসা সম্প্রসারণ, নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা অনুসন্ধান এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে ‘বিজনেস অপরচুনিটি: এক্সপ্লোর মুকসুদপুর’ শীর্ষক বিশেষ সম্মেলন ও আলোচনা সভা করেছে ইউনিটি গ্রুপ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মুকসুদপুরের এভারগ্রীন হাইওয়ে ইন-এ আয়োজিত এ সম্মেলনে গ্রুপটির চলমান ও ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক উদ্যোগ, বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং বিভিন্ন খাতে নতুন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। ‘মেক ইউনিটি ভিশন-২০৩০’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুল হাসান সুমন। সূচনা বক্তব্য ও বিশেষ আলোচনা করেন গ্রুপটির করপোরেট ডিভিশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. হাফিজুর রহমান চাতক। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ইউনিটি ট্যুরিজম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউনিটি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ কো-অর্ডিনেটর মো. হুমায়ুন কবির। সম্মেলনে ইউনিটি গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে ভূমি উন্নয়ন, আবাসন, প্রপার্টি সলিউশন, পর্যটন ও কৃষি খাতে নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ এবং সম্ভাবনাময় উদ্যোগের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. নাজমুল হাসান সুমন বলেন, “ইউনিটি গ্রুপ সবসময় পারস্পরিক আস্থা, অংশীদারিত্ব ও টেকসই ব্যবসায়িক ভবিষ্যতের ওপর বিশ্বাস করে। মুকসুদপুর ও গোপালগঞ্জ অঞ্চলে ব্যবসার নতুন সম্ভাবনা ও যৌথ অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতেই আমাদের এই আয়োজন। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে বদ্ধপরিকর।” তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবসার নতুন ক্ষেত্র তৈরি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। অনুষ্ঠানে ইউনিটি গ্রুপের অন্যান্য পরিচালক ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় শিক্ষক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, উদীয়মান উদ্যোক্তা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি এবং গ্রুপটির সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা অংশ নেন। আলোচনা সভা শেষে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে মুক্ত মতবিনিময় করা হয়। এ সময় ব্যবসায়িক সম্ভাবনা, বিনিয়োগের ক্ষেত্র এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নিজেদের মতামত ও ভাবনা তুলে ধরেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।

শেরপুরের ১৬৭ পূজামণ্ডপে কড়া নিরাপত্তা, সাংবাদিক হত্যায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে এসআরবি
নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ করছে স্পেশাল র্যাপিড ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। পাশাপাশি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শেরপুর জেলার ১৬৭টি পূজামণ্ডপে সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি টহল জোরদার করেছে সংস্থাটি। আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে শেরপুর শহরের গোপালবাড়ি শ্রী শ্রী গোপাল জিউর মন্দির চত্বরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১৪ (ময়মনসিংহ)-এর অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মাসুদ রানা। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত ডিআইজি জানান, নেত্রকোনার সাংবাদিক হত্যা মামলার মূল অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ঘটনার নেপথ্য কারণ উদ্ঘাটনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের সদস্যরা। এছাড়া শেরপুর জেলায় পূজামণ্ডপগুলোতে যাতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপিত হতে পারে, সেজন্য পুলিশের সঙ্গে সমন্বিতভাবে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, দর্শনার্থী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসআরবি-এর টিম মাঠে তৎপর রয়েছে।


