প্রতীকী ছবি।ছবি সৌজন্যে: AI
Published on
:
1 min read
দিওয়ালির আগে বাজারে চিনির সরবরাহ বাড়াতে ১৪ লক্ষ টন চিনি বরাদ্দ করল কেন্দ্র। সম্প্রতি পাইকারি বাজারে চিনির দাম দ্রুত বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে উৎসবের মরশুমে যাতে দাম আরও না বাড়ে, সেই লক্ষ্যেই নির্ধারিত সময়ের দু’দিন আগেই এই বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি চিনি আমদানিকারকদের জন্য আরও ২ লক্ষ টন চিনি বরাদ্দ করা হয়েছে।
ডিপার্টমেন্ট অফ ফুড অ্যান্ড পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন (DFPD)-র দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী, ১৩ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের চিনিকলগুলি মোট ১৪ লক্ষ টন চিনি বিক্রি করতে পারবে। গত ১০ দিনে কারখানা থেকে বিক্রির পর্যায়ে প্রতি কুইন্টাল চিনির দাম প্রায় ১,০০০ টাকা বেড়েছে। এর আগে সেপ্টেম্বরে ২৬.৫ লক্ষ টন এবং অক্টোবরে ৩০ লক্ষ টন চিনি বরাদ্দ করেছিল কেন্দ্র।
সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ মহারাষ্ট্রে
নতুন বরাদ্দের মধ্যে মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ ও কর্নাটক মিলিয়ে পেয়েছে ১১.৫৯ লক্ষ টন চিনি। যা মোট বরাদ্দের প্রায় ৮৩ শতাংশ। মহারাষ্ট্রে ৪.৭৬ লক্ষ টন, উত্তরপ্রদেশে ৪.৫১ লক্ষ টন এবং কর্নাটকে ২.৩২ লক্ষ টন চিনি বরাদ্দ হয়েছে।
চিনির মজুতেও কড়াকড়ি
উৎসবের মরশুমে মজুতদারি আটকাতে ব্যবসায়ীদের জন্য চিনির মজুতের নিয়মও কড়া করেছে কেন্দ্র। ১৫ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা সর্বোচ্চ ১,০০০ কুইন্টাল চিনি মজুত রাখতে পারবেন। মজুতের মেয়াদ হবে ১৫ দিন। তবে কলকাতা ও সংলগ্ন বর্ধিত মহানগর এলাকা এবং অসম এই বিধিনিষেধের বাইরে থাকবে।
অন্য দিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নে নির্দিষ্ট শুল্কহারে মোট ৫,৮৪১ টন চিনি রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বিদেশ ডিরেক্টর জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড (DGFT)।
