নবম জাতীয় পে-স্কেল ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। এতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত মূল বেতনের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট কিছু ভাতা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় এই প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। এর আগে রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি-৩ শাখা থেকে প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে সই করেছেন অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মো. ফেরদৌস আলম।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬-এর আওতাবহির্ভূত মূল বেতনের শতাংশভিত্তিক কিছু প্রচলিত ভাতা পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত মূল বেতনের ভিত্তিতে হিসাব করে দেওয়া হবে।
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের যেসব কর্মচারী এ ধরনের ভাতা পেয়ে থাকেন, তাদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশনা কার্যকর হবে।
দীর্ঘ ১১ বছর পর গত ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের মধ্যে তিন ধাপে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামোয় মূল বেতন সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের বিদ্যমান মূল বেতনকে ভিত্তি ধরা হবে। তবে আদেশের আওতাবহির্ভূত শতাংশভিত্তিক ভাতার হিসাব আপাতত নতুন মূল বেতন অনুযায়ী হবে না। ফলে নতুন পে-স্কেল কার্যকরের প্রক্রিয়া চললেও নির্দিষ্ট কিছু ভাতার ক্ষেত্রে পূর্বের বেতনের হিসাবই বহাল থাকছে।
