রাজশাহীর পবায় ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ফুটবল বিতরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
- আপডেট করা হয়েছে : ১৩-১০-২০২৬
রাজশাহীর পবা উপজেলায় ফুটবলের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে স্থানীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে ফুটবল বিতরণ ও প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনকে সক্রিয় করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার বিলনেপালপাড়া মাঠে রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও পবা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মো. হাফিজুর রহমান হাফিজের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনের পক্ষ থেকে স্থানীয় খেলোয়াড়দের হাতে ফুটবল তুলে দেওয়া হয়। পরে মাঠে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় স্থানীয় খেলোয়াড় ও ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
ফুটবল বিতরণ প্রসঙ্গে মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, ‘বিলনেপালপাড়ার ফুটবলের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে। একসময় এ এলাকার ফুটবল দল বেশ শক্তিশালী ছিল। আমি চাই, সেই গৌরবময় ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের হাত ধরে আবারও প্রাণ ফিরে পাক। তরুণেরা খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের প্রতিভা বিকশিত করুক এবং এলাকার সুনাম বয়ে আনুক।’
তিনি আরও বলেন, ‘এলাকার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও তরুণ খেলোয়াড়দের এগিয়ে নিতে আমি পাশে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ। তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা এবং নতুন খেলোয়াড় তৈরি করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।’
নিয়মিত খেলাধুলার চর্চা তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সুস্থ মানসিকতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে উল্লেখ করে হাফিজ বলেন, তরুণদের মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে আরও উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামরুজ্জামান, পবা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মো. তইমুর রহমান, দর্শনপাড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আজিজুল হক, যুবনেতা মো. এনামুল হক ও মো. জামিরুল ইসলাম। এ ছাড়া এলাকার সাবেক খেলোয়াড়, ক্রীড়াপ্রেমী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে বিলনেপালপাড়ার ফুটবলের ঐতিহ্য নতুন করে সমৃদ্ধ হবে। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়েরা নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবে।
