in চাঁদপুর
চাঁদপুর সদর নৌ-থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ২৫ জেলেকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ২ মণ জাটকা ইলিশ মাছ, ১১ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৫টি নৌকা জব্দ করা হয়। আটক জেলেদের মধ্যে ১১ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৪ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মৎস্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জব্দ করা মাছ গুলো পরে বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
গত ২৫ অক্টোবর রাতে চাঁদপুর সদর নৌ-থানার আওতাধীন একাধিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।মামলার আওতায় থাকা ১৪ জন হলেন চাঁদপুরের দাসাদী এলাকার মো. রসুল আমিন মোল্লা (২৫), পুরানবাজার মধ্য শ্রীরামদী এলাকার মো. ফারুক হাওলাদার (২৫), রামদাসদী এলাকার মো. তাফাজ্জল গাজী (৫০), রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের সরদারকান্দি এলাকার মো. তামিম গাজী (১৯), পুরানবাজার মধ্য শ্রীরামদী এলাকার মো. সাগর দেওয়ান (২০) ও মো. রান্য চৌকিদার (১৯), রামদাসদী এলাকার মো. ইসরাফিল প্যাদা (২৮), দাসাদী এলাকার মো. শামীম হাওলাদার (২০) এবং পুরানবাজার মধ্য শ্রীরামদী এলাকার মো. খোরশেদ দেওয়ান (৪০)।
এ ছাড়া শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়নের বুলু সর্দারপাড়া এলাকার মো. আসাদ গাজী (৩৮), মো. লিটন প্রামাণিক (৩৮), আন্নোকাটি এলাকার মো. ছোট্ট মোল্লা (৪৫), শেখসা এলাকার মো. জালাল মিয়া সর্দার (৩৫) এবং কোদালপুর ইউনিয়নের মো. স্বপন (৩৪) রয়েছেন।
সদর নৌ-থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আজমগীর হোসাইন জানান, নৌ-থানার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৫ জেলেকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ১১ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৪ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মৎস্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযানে ২ মণ মাছ, ১১ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৫টি নৌকা জব্দ করা হয়। জব্দ করা মাছ গুলো বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে মাছ আহরণ বন্ধে নৌ-পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রতিবেদক: কবির হোসেন মিজি/
২৫ অক্টোবর ২০২৬
