বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান একদিন বিশ্বের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মুক্তিকামী মানুষের সংগ্রামে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ২ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা মো. আলআমিন বাবলু। ভারতের বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে ভারতের চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এর সফলতা কামনা করেন তিনি।
সম্প্রতি ভারতের দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও গণতন্ত্রপন্থী মানুষের অংশগ্রহণে আন্দোলন চলছে। অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (AISA), স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (SFI) এবং অন্যান্য সংগঠনের ব্যানারে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছেন। আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ ইন্ডিয়া জোটের নেতারা। আন্দোলনের চাপে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের সুযোগ সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি আদায়ে সোচ্চার রয়েছেন।
এ প্রেক্ষাপটে ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা এক বক্তব্যে দাবি করেন, ভারতে চলমান জেন-জি আন্দোলন বাংলাদেশের ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে গভীর অনুপ্রেরণা পেয়েছে। তার মতে, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের লড়াই ভারতের তরুণ সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শিক্ষা হয়ে উঠেছে।
নেহা বোরার বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে মো. আলআমিন বাবলু বলেন, ‘বাংলাদেশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান একদিন বিশ্বের গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং মুক্তিকামী মানুষের সংগ্রামে অনুপ্রেরণার উৎস হবে।’
একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং আন্দোলনের সফলতা কামনা করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে বাবলু বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলন দমন-পীড়নের মাধ্যমে থামানো যায় না। এটি একটি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ দমন করতে গেলে যার বিস্তার আরও বেড়ে যায়।’
/অ
