লাউ-মুরগির যুগলবন্দী তো অনেকেই খেয়েছেন, কিন্তু সরিষা বাটা আর রসুনের খাঁটি দেশি ফোড়নে এর স্বাদ যে কতটা অনন্য হতে পারে, তা এই রেসিপিটি না রাঁধলে বুঝতেই পারবেন না। গরম ধোঁয়া ওঠা ভাতের সাথে এর মাখা মাখা ঝোল দুপুরের খাওয়াকে জমিয়ে দেবে একদম শতভাগ!
তবে এই রেসিপিটির আসল ম্যাজিক লুকিয়ে আছে এর মসলা আর রান্নার কৌশলে। রেসিপিটি নিপা রাজ্জাকের। ঘরকন্যা কুকিং সেন্টারের নির্বাহী তিনি। চলুন দেরি না করে জেনে নিই আজকের এই রেসিপিটি-
উপকরণ ও পরিমাণ
মুরগি- ১টি, লাউ- ১টি, সরিষাবাটা- ২ চা-চামচ, শুকনা মরিচবাটা- ১ চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা- ২ চা-চামচ, ধনে গুঁড়া- ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া- ১ চা-চামচ, আদাবাটা- ২ চা-চামচ, রসুনবাটা- ২ চা-চামচ, তেল ১ কাপ (সরিষা), জিরা গুঁড়া- ২ চা-চামচ, গরম মসলা গুড়া- হাফ চামচ, তেজ পাতা- ২ টুকরা, এলাচ দারচিনি। (পরিমান মতো), রসুন কোয়া আন্ত- (ফোড়নের জন্য পরিমাণ), পেঁয়াজকুচি (ফোড়নের জন্য পরিমাণমতো), ধনেপাতা- পরিমাণমতো, কাঁচা মরিচ (ফালি করা)- পরিমাণমতো।
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে পাত্রে সরিষার তেল দিয়ে একে একে বাটা মসলা, পেঁয়াজবাটা, সরিষাবাটা, আদাবাটা, রসুনবাটা, হলুদ গুঁড়া, শুকনা মরিচবাটা দিয়ে কষাতে হবে। কষা হলে লাউ দিয়ে আরো কষাতে হবে। ২০ মিনিট পরে মুরগির টুকরা দিয়ে পানি দিয়ে ঢাকনা দেব। পরে একে একে আস্ত গরম মসলা, জিরা গুঁড়া দিতে হবে। কাঁচা মরিচ আস্ত রেখে দিতে হবে। হয়ে গেলে ফোড়নের জন্য সরিষার তেল দিয়ে পেঁয়াজকুচি ও রসুন ফোড়ন দিয়ে বাগার দিতে হবে। শেষে গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করতে হবে।
