পুজোর মুখে সুখবর। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের সাফারির টিকিট এক মাস আগেই অনলাইনে বুক (Jaldapara Safari Online Booking) করার ব্যবস্থা চালু করল বনদপ্তর। প্রতিদিন জিপসি সাফারির ৯১২টি সিট ও হাতি সাফারির ৪৮টি সিট অনলাইনে বুক করতে পারবেন পর্যটকরা। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ডিএফও পারভিন কাশোয়ান বলেন, “এর ফলে পর্যটকরা আগে থেকে নানা প্ল্যান করে এদিকে বেড়াতে আসতে পারবেন। এর ফলে তাদের ফেরার পরিকল্পনা করতেও সুবিধা হবে। এক মাস আগে থেকে এই টিকিট অনলাইনে বুক করতে পারবেন পর্যটকরা।”
অন্যদিকে বক্সাতে বনবস্তিবাসীর আন্দোলন চলছেন। বক্সা টাইগার রিজার্ভে ঢোকার রাজাভাতখাওয়া গেটে পাশেই শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান বিক্ষোভ চালাচ্ছেন ভেতরের ১৮ টি বনবস্তির মানুষেরা। এই আন্দোলনে শামিল হয়েছেন বক্সা টাইগার রিজার্ভের সাফারি গাড়ির চালকরাও। যার জেরে বক্সাতে কার সাফারি বন্ধ রয়েছে। তাদের অভিযোগ, বনদপ্তর তাদের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের অধিকার হরণ করছে। বনাধিকার আইন ২০০৬ লঙ্ঘন করা হচ্ছে। বনবস্তিবাসী অয়ন নাইডু বলেন, “পূর্ত দপ্তরের রাস্তায় বনদপ্তর টাকা আদায় করছে। গ্রামবাসীদের যাতায়াতে সমস্যা তৈরি করা হচ্ছে। পর্যটন নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। আমরা এর প্রতিবাদে আন্দোলন চালাচ্ছি। দাবিপূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।” তবে এই বিষয়টি নিয়ে বনকর্তারা কোনও মন্তব্য করতে চাইছেন না।
উল্লেখ্য, বিহার থেকে একটি তিন বছর বয়সের বাঘিনীকে এনে বক্সা টাইগার রিজার্ভের জঙ্গলে ছাড়া হয়েছে। সেই কারণে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত বক্সায় সব রকম পর্যটন বন্ধ রেখেছিল বনদপ্তর। ১০ অক্টোবর ফের বক্সা পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু এর পর থেকে বনবস্তিবাসীদের আন্দোলনের জেরে পর্যটক বন্ধ হয়ে রয়েছে বক্সা টাইগার রিজার্ভে।
