Published on
:
1 min read
কলাস্তুতি ডান্স ইনস্টিটিউট এক বর্ষণমুখর সন্ধেয় উত্তমমঞ্চ মাতিয়ে দিল তাদের নজরকাড়া অনুষ্ঠানে। শিরোনাম ছিল ‘উৎকর্ষ ২০২৬’। পরিচালনায় ছিলেন সুপরিচিত ভরতনাট্যম শিল্পী চৈতি ঘোষ। তিনি প্রতি বছরেই একটু ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠান করে থাকেন। এ বছরেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। মোট দু’টি পর্বের নৃত্যানুষ্ঠান ঘিরে ছিল টানটান উত্তেজনা। মুগ্ধ হয়েছেন দর্শকরা।
শুরুতেই শিবস্তুতি, গণেশ বন্দনা, সরস্বতী বন্দনা। কৃষ্ণভজন ও তুলসী দাসের ভজনের সঙ্গে নবীন শিক্ষার্থীদের নৃত্য পরিবেশনা কিছু অসাধারণ মুহূর্ত তৈরি করে। সংস্থার পুরোনো সদস্যরা পরিবেশন করলেন পুষ্পাঞ্জলি, কীর্তন, বৃন্দাবনী রাগ আধারিত তিলান্না। এই সুন্দর নৃত্য-শৈলীর নৃত্যবিন্যাস করেছেন পদ্মশ্রী গুরু গীতাচন্দ্রন। এ ছাড়াও পদ্মভূষণ সিভি চন্দ্রশেখরের নৃত্যবিন্যাসে গণপতি ভজনটির সঙ্গে শিল্পীদের পরিবেশনাটিও ছিল অপূর্ব এবং প্রশংসনীয়। শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন অস্মিতা, ঐশী, তিয়াসা, সুপ্রীতি, বৈতালি, শ্রীনীথী। পরে নিখুঁত অভিনয় ও শরীরী বিহঙ্গে পরশ রাগে নিবদ্ধ জাভেলি ছিল চৈতি ঘোষের এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা।
Ei Samay
দ্বিতীয় পর্বে ছিল ‘প্রভু আমার প্রিয় আমার’ রবীন্দ্রনাথের ছুটি পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত গানগুলির সুপরিকল্পিত ও সুন্দর চয়ন। গ্রন্থনায় ছিলেন শর্মিষ্ঠা সিং। পাঠে ছিলেন শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সঞ্চিতা দত্ত। নৃত্য পরিবেশনায় ছিলেন ‘কলাস্তুতি’-র সদস্যরা। সমাপ্তি ঘটে ‘বহে নিরন্তর অনন্ত আনন্দধারা’-র শান্ত আশাবাদে। কোরিয়োগ্রাফিতেও ছিলেন চৈতি নিজে। আলো প্রক্ষেপণে সৌমেন চক্রবর্তী। মঞ্চসজ্জায় ছিলেন সৌরভ চট্টোপাধ্যায়।
