যুক্তরাজ্যের লন্ডন, স্কটল্যান্ড, ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম ও লেস্টার সফর ছিল অভিজ্ঞতা অর্জন, জ্ঞান বিনিময়, সম্পর্ক উন্নয়ন এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে যোগাযোগ জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়াস।
এ সফরের উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো নিম্নরূপ:
১. প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার: যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাঁদের অভিজ্ঞতা, প্রত্যাশা, সম্ভাবনা এবং দেশের সঙ্গে তাঁদের সম্পৃক্ততার গুরুত্ব অনুধাবনের সুযোগ হয়েছে।
২. ইসলামী প্রতিষ্ঠান ও সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন:
লেস্টারের ইসলামী ফাউন্ডেশন কমপ্লেক্স পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ইসলামী প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ হয়েছে।
৩. উচ্চশিক্ষা ও জ্ঞানচর্চা সম্পর্কে নতুন ধারণা:
অক্সফোর্ডসহ যুক্তরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, জ্ঞানচর্চা এবং প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ সম্পর্কে ধারণা লাভ করেছি। এসব অভিজ্ঞতা দেশের শিক্ষা ও জ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রমে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।
৪. আইন, বিচারব্যবস্থা ও ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ধারণা:
লন্ডনের ব্রিটিশ লাইব্রেরি ও লিংকনস ইন পরিদর্শনের মাধ্যমে জ্ঞান সংরক্ষণ, আইনি ঐতিহ্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশ সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়েছে।
৫. আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গির সম্প্রসারণ:
লন্ডন, স্কটল্যান্ড, ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম ও লেস্টারের ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক পরিবেশ প্রত্যক্ষ করার মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের বহুমাত্রিক সমাজ, প্রবাসী জীবনের বাস্তবতা এবং কমিউনিটি উন্নয়নের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়েছে।
৬. ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা তৈরি:
সফরকালে বিভিন্ন ব্যক্তি, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ ও মতবিনিময় ভবিষ্যতে জ্ঞান বিনিময়, প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে।
সামগ্রিক মূল্যায়ন:
সামগ্রিকভাবে, যুক্তরাজ্য সফরের প্রধান অর্জন হলো প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, ইসলামী ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন, শিক্ষা ও ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান থেকে জ্ঞান লাভ এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা তৈরি। সফরলব্ধ অভিজ্ঞতাগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে তা ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে যুক্তরাজ্য সফর সম্পন্ন করে ১৩ অক্টোবর তুরস্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছি। মহান আল্লাহ যেন সফরের অর্জনগুলো কল্যাণকর কাজে ব্যবহারের তাওফিক দান করেন। আমিন।
