রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিনে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়গ্রাফিক্স: রুশিতা বোস দত্ত
Published on
:
1 min read
লীনা গঙ্গোপাধ্যায়
জানি না এই দিনে ঠিক কী বলা উচিত, আসলে এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না। যে কোনও চলে যাওয়াই খুব দুঃখের। তবে রাহুলের মৃত্যু আমার কাছে সত্যিই অনভিপ্রেত। কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কোনও শব্দে এই যন্ত্রণা বোঝানোও সম্ভব নয়। যে ভাবেই মৃত্যু হয়ে থাকুক না কেন ওর, আমি কোনও বিচারের মধ্যে না গিয়েই বলছি ও আমার অত্যন্ত স্নেহের আর চিরদিন তেমনটাই থাকবে।
রাহুলের জায়গাটা কখনও পূর্ণ হবে না। কিছু মৃত্যু আজীবনের ক্ষত হয়ে থেকে যায়। আমার জীবনেও সারাজীবন এ ভাবেই থেকে যাবে এই ক্ষত। আরও বিশেষ করে যেহেতু ওর মৃত্যু হয়েছে আমাদেরই শুটিংয়ে, কোনও না কোনও ভাবে বিষয়টার সঙ্গে আমাদের প্রোডাকশন জড়িয়ে গিয়েছে, তাই এই হারানোর কোনও ভাষা নেই।
ওর পরিবার আছে। তাই পৃথিবীর কোনও কিছু দিয়েই তো আর এই ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়। সত্যি বলতে, জীবনের কিছু শূন্যস্থান কখনও পূরণ হয় না। এটা সারা জীবন থেকে যাবে। আর সেই জায়গার যে অনুভূতি, তা হয়তো একটা লেখা, কতগুলো শব্দের মাধ্যমে আমি তুলে ধরতেও পারব না।
‘দেশের মাটি’ ধারাবাহিক থেকে কাজ শুরু একসঙ্গে। তারও আগে থেকে চিনি একে অন্যকে। আসলে লেখাপড়ার একটা ব্যাপার তো থাকে। নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যেত ওর সঙ্গে। বার বার খালি মনে হয় যাই হয়ে যাক না কেন, আর তো রাহুলকে ফেরত দিতে পারব না। ও যেখানেই থাকুক ভালো থাক।
রাহুলদের প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের বেশ কয়েকজনের সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে আমার কথাবার্তা হতো। যারা শুধু অভিনয়ে নয়, নানা দিক থেকে গুণী। ওরা ভীষণ ভাবে লেখাপড়া করত। যাদের সঙ্গে কথা বললে ঋদ্ধ হওয়া যায়। রাহুলও ঠিক তেমনই ছিল। যার কোনও বিকল্প নেই, কোনও দিন হবেও না।