বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোতে প্রবাসীদের হয়রানি ও হেনস্তা বন্ধ না হলে ডিসেম্বরের পর রেমিট্যান্স শাটডাউনের হুমকি দিয়েছে প্রবাসী নাগরিক সমাজের যুক্তরাষ্ট্র শাখা; নিউইয়র্কে সমাবেশ থেকে সংগঠনটি প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতের পাশাপাশি ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
বাংলাদেশের সব বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হেনস্তা বন্ধ না হলে ডিসেম্বরের পর রেমিট্যান্স শাটডাউনের হুমকি দিয়েছে প্রবাসী নাগরিক সমাজের যুক্তরাষ্ট্র শাখা।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে নোয়াখালী সমিতির সামনের প্রধান সড়কে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করে সংগঠনটি। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি এস এম রহমত উল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, রেমিট্যান্স বাংলাদেশের একটি শিল্প। এই শিল্প বাঁচিয়ে রাখতে হলে দেশের বিমানবন্দরগুলোতে প্রবাসীদের প্রথম শ্রেণির নাগরিকের মর্যাদা দিতে হবে। বিমানবন্দরে তাঁদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং হয়রানি ও হেনস্তা বন্ধ করতে হবে। বিদেশে লোক পাঠানোর নামে দলীয় সিন্ডিকেটের প্রতারণার শিকার প্রবাসীদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠান। অন্যদিকে, লুটপাটকারী রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য-মন্ত্রীরা দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে দেশকে পঙ্গু রাষ্ট্রে পরিণত করছেন। রাষ্ট্রের যেখানেই অনিয়ম-দুর্নীতি দেখা দেবে, প্রবাসীরা সেখান থেকেই প্রতিরোধের ডাক দেবেন।
সমাবেশে প্রবাসী নেতৃবৃন্দ সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের হেনস্তা এবং নরসিংদীতে এক প্রবাসীকে কটূক্তি করার ঘটনার প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানান। তাঁরা অবিলম্বে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে তাঁদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ও গ্রিনকার্ড এবং বাংলাদেশে থাকা সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানান।
সমাবেশে জেএসএফের চেয়ারম্যান হাজী আনোয়ার হোসেন এবং প্রবাসী নাগরিক সমাজের নেতাদের মধ্যে মো. শহিদুল্লাহ, মাওলানা জাকির হোসেন, আশরাফুল হাসান, সাইফুল ইসলাম, মো. কাশেম, আবদুল হুদা, ইসমাইল হোসেন, মিজানুর রহমান ও দীন মুহাম্মদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
