আজকাল ওয়েবডেস্ক: নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে আন্দোলনের জের। ককরোচ জনতা পার্টির একাধিক শীর্ষনেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ঠাঁই হয়েছে তিহাড়ে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ককরোচ জনতা পার্টির দুই শীর্ষ নেতৃত্ব আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস এবং অজিঙ্ক শীন্ডেকে প্রথমে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এরপর অজিঙ্ক শীন্ডেকে পিস বন্ডে সই করিয়ে রেহাই দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
এবার সিজেপির পাশে দাঁড়ালেন কংগ্রেস নেতা, সাংসদ, রাহুল গান্ধী। রাহুল লিখেছেন, 'শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যন্তর মন্তরে তেরঙা পতাকা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়। এর জন্য তরুণদের কারাগারে পাঠানো কাপুরুষোচিত কাজ। ছাত্র, তরুণ, সাংবাদিক এবং ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোট—বিভিন্ন মঞ্চ হলেও লক্ষ্য একটাই। সব প্রতিবাদ আসলে একই—নাগরিকদের নিজেদের সাংবিধানিক অধিকারের দাবি। যন্তর মন্তর ভারতের জনগণের। আমরা তা পুনরুদ্ধার করব।'
https://x.com/MamataOfficial/status/2110279509627072680
সিজেপির পাশে দাঁড়িয়ে ফের বার্তা মমতা ব্যান্ররজির। বুধে পোস্ট করে লিখেছেন, 'আমরা এবং আমাদের আগের অনেক প্রজন্ম আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য জোরদার লড়াই করেছি। আমাদের এই লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। আমি সিজেপি (CJP)-র আশুতোষ ও সৌরভের গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানাই। এই মুহূর্তটি আমাদের সবার জন্য—আমাদের মহান গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করার শপথ নেওয়া ও রুখে দাঁড়ানোর সময় এটি। এটি একটি পুরো প্রজন্মকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করে দেওয়ার প্রচেষ্টা।' পোস্ট করেছেন অভিষেক, মহুয়াও।
প্রসঙ্গত, গত ১১ অক্টোবর দিল্লি পুলিশ কমিশনার নির্দেশ দেন, এবার থেকে আর যন্তর মন্তরে কোনও আন্দোলন করা যাবে না। সেই নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে মঙ্গলবার রাতে ককরোচ জনতা পার্টির তিন শীর্ষ নেতা ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়েন। এরপর সেখানে জাতীয় পতাকা ওড়িয়ে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন তিনজনেই। এরপরই গতকাল রাতে পুলিশ তাঁদের আটক করেন। বুধবার সকালে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির তিন নেতাই ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করেছিলেন। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও যন্তর মন্তরে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। এর পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকার বন্ডে যে সই করেছিলেন, তাও লঙ্ঘন করেছেন তাঁরা। যদিও ককরোচ জনতা পার্টির তরফে এই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE
