রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলীকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে ইউসুফ আলীকে প্রত্যাহারের কোনো কারণ উল্লেখ নেই। প্রজ্ঞাপনে লেখা হয়েছে, ‘জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অদ্যই কার্যকর হবে।’ অর্থাৎ, তাঁকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।
বিভাগীয় কমিশনারের এই স্ট্যান্ড রিলিজের খবর রাতেই পাওয়া যায়। তখন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাত ১১টার মধ্যে তাঁকে দায়িত্ব ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। প্রজ্ঞাপন পেয়ে ইউসুফ আলী রাতে তাঁর দপ্তরে কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত বৈঠক করেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তিনি অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) রেজাউল আলম সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
ওই সময় বিভাগীয় কমিশনারের সরকারি মোবাইল ফোনে কয়েক দফা ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ফোন রিসিভ করেন। প্রশ্ন শুনেই তিনি কিছু শুনতে পাচ্ছেন না, তাই পরে কথা বলবেন বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী যখন রাজশাহী থেকে ফিরে যাচ্ছিলেন তখন হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী অসংযত আচরণ করেন। সেই সময়ের ছোট একটি ভিডিও ক্লিপ ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ভিডিতে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর বিদায়ের সময় পুলিশ-প্রশাসনের কর্মকর্তারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করছিলেন। তিনি বিভাগীয় কমিশনারের দিকেও হাত বাড়ান। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী এক ধাপ এগিয়ে যান। হ্যান্ডশেক করা অবস্থায় তিনি আরেকটি হাত দিয়ে পেছন থেকে প্রধানমন্ত্রীকে স্পর্শ করার চেষ্টা করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী কিছুটা পিছিয়ে যান এবং তাকে লাইনের দাঁড়াতে পরামর্শ দেন।
