সিলেট সীমান্তে অর্ধকোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম
৪৮ বিজিবির পৃথক দুটো অভিযানে জব্দ চোরাইপণ্যের একাংশ। ছবি: খবরের কাগজ
-->সিলেট সীমান্তের (৪৮ বিজিবির অধীন) ১৫টি স্পটে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পৃথক অভিযানে ভারতে থেকে অবৈধভাবে আমদানি ও বাংলাদেশ থেকে পাচারকালে অর্ধকোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ অক্টোবর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) সিলেট সীমান্তবর্তী এলাকার বাংলাবাজার, লাফার্জ, পান্থুমাই, তামাবিল, সংগ্রাম, প্রতাপপুর, সোনারহাট, ডিবিরহাওর বিওপি কর্তৃক চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মদ, শাড়ি, কম্বল, গরু, টমেটো, ফুচকা, সাবান, ফল, চুইংগাম, চিনি, কিসমিস, আলু এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারকালে শিং মাছ জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকরা মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ২৪ লাখ ২৩ হাজার ৮১০ টাকা।
এর আগে, ২২ অক্টোবর সীমান্তের কালাসাদেক, প্রতাপপুর, দমদমিয়া, সোনারহাট, বিছনাকান্দি, নোয়াকোট, সংগ্রাম বিওপি কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মদ, গরু, ফল, কম্বল, কসমেটিকস, সবজি, চকলেট, বাসমতি চাল, আলু, জুস, দুধ, বিছানার চাদর, ফুচকা, মধু, বিস্কুট, বিড়ি, চা-পাতা এবং বাংলাদেশ থেকে পাচারকালে বাংলাদেশি লেডিস সোয়েটার জব্দ করে। যার সিজার মূল্য ২৭ লাখ ৩৪ হাজার ৯৫৯ টাকা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক জানান, সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান এবং মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এ সব মালামাল জব্দ করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে সাংবাদিকরা’ মন্তব্যের প্রতিবাদে তালায় বিক্ষোভ
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে সাংবাদিকরা’-সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন মন্তব্যের প্রতিবাদে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানকে অপসারণের দাবি করেছেন সাংবাদিকরা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে সাংবাদিকরা তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন।
তালা উপজেলা প্রেসক্লাব ও তালা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত অর্ধশতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের নিয়ে একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন মন্তব্য অনভিপ্রেত ও আপত্তিকর। গণমাধ্যমকর্মীরা জনস্বার্থে অনিয়ম, দুর্নীতি ও জনদুর্ভোগের খবর তুলে ধরেন। কোনো সংবাদ নিয়ে আপত্তি থাকলে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ জানানো যায়। কিন্তু সাংবাদিকদের নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য পেশাগত মর্যাদার পরিপন্থী।
এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে এবং ডা. মিজানুর রহমানকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানান। মানববন্ধন শেষে প্রতিবাদ র্যালি ও বিক্ষোভ মিছিল করেন সাংবাদিকরা।
নাজমুল/নাঈম
আরও পড়ুন
শাহজালাল (রহ.) মাজারে পঞ্চমবারের মতো টাকা গণনা শুরু
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা পঞ্চমবারের মতো প্রকাশ্যে গণনা শুরু হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, মাজার ব্যবস্থাপনায় গঠিত কমিটির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উপস্থিতে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
সিলেটের জেলা প্রশাসক বলেন, আপাতত মাসে একবার গণনা করা হবে। এরপর ম্যানেজার নিয়োগ দেওয়া হবে।একজন কম্পিউটার অপারেটরও নিয়োগ হবে। তখন প্রতিদিন গণনার কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। এই গণনা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন শাহজালাল (রহ.) মাজার মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
জানা গেছে, মাজারেরে মোট ৩টি ডেগ ও ৫ টি দানবাক্সর টাকা গণনা হচ্ছে। এবারও মাজারের দানবাক্স ও ডেগগুলোতে দেশি টাকার পাশাপাশি বিদেশি মুদ্রাও পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে পাওয়া গেছে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংবলিত চিঠি।
এর আগেও চার দফায় মাজারের টাকা প্রকাশ্যে গণনা করা হয়েছে। তবে গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেট সার্কিট হাউসে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়, হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা প্রতিদিন গণনা করা হবে। দানের টাকার ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নকাজে জন্য ব্যাংকের একাউন্টে জমা রাখা হবে আর বাকি ৬৫ শতাংশ দিয়ে মাজারের দৈনন্দিন ব্যয় ও কর্মচারীদের বেতন নির্বাহ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত ১২ জুন প্রথমবারের মতো উদ্যোগ নেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। এর ধারাবাহিকতায় ১৮ জুন মাজার প্রাঙ্গণে নতুন চারটি দানবাক্স স্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত তিনটি ঐতিহাসিক দানের ডেগ এবং দানবাক্সগুলো সিলগালা করা হয়।
এ উদ্যোগকে ঘিরে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর মধ্যেই গত ২১ জুন সারওয়ার আলমকে জেলা প্রশাসকের পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। পরদিন ২২ জুন তিনি মাজারের সিলগালা করা ডেগ ও দানবাক্স খুলে প্রকাশ্যে অর্থ গণনার ব্যবস্থা করেন। ওইদিন গণনা শেষে মোট ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। পরে অর্থগুলো সোনালী ব্যাংকে খোলা একটি নতুন হিসাবে জমা রাখা হয়।
পরবর্তীতে মাজারের আর্থিক কার্যক্রমে অধিকতর স্বচ্ছতা আনতে গত ২৬ জুন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে ১১ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে এক মাসের মধ্যে মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য আধুনিক ও কার্যকর কাঠামোর সুপারিশ তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর সিলেট সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে দানবাক্সের টাকা দ্বিতীয় দফায় গণনার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
গত ১১ জুলাই দ্বিতীয়বারের মতো হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা প্রকাশ্যে গণনা সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় দফার ১৯ দিনে মাজারের দানবাক্স ও ডেগগুলোতে মোট ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা জমা হয়। দুইবার গণনার সময় একাধিক দেশের মুদ্রাসহ বিভিন্ন সামগ্রীও পাওয়া যায়।
গত ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফার গত ৩৪ দিনে মাজারের দানবাক্স ও ডেগগুলোতে মোট নগদ ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা, স্বর্ণ, রুপা ও একাধিক দেশের মুদ্রাসহ বিভিন্ন সামগ্রীও পাওয়া যায়। ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থ দফায় দানবাক্স ও ডেগ থেকে পাওয়া যায় ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রুপা পাওয়া যায়।
শাকিলা ববি
আরও পড়ুন
মাগুরায় নসিমন উল্টে চালকের মৃত্যু
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫০ পিএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->মাগুরায় নসিমন উল্টে মো. আব্দুস সাত্তার (৪৫) নামে এক চালকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে মাগুরা-ঝিনাইদহ মহাসড়কের আলমখালী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুস সাত্তার চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা এলাকার বাসিন্দা। পেশায় তিনি নসিমনচালক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে মালামাল নেওয়ার উদ্দেশে দর্শনা থেকে মাগুরা সদর উপজেলার কছুন্দী ইউনিয়নের রামনগর এলাকায় আসে আব্দুস সাত্তার। পথে মাগুরা-ঝিনাইদহ মহাসড়কের আলমখালী বাজার পার হয়ে মাগুরার দিকে প্রায় ২০০ গজ এগিয়ে আনোয়ারের করাতকলের সামনে পৌঁছালে নসিমনটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে চালক নসিমনের নিচে চাপা পড়ে বুকে আঘাত পান।
পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মাগুরা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
রামনগর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম জানান, দুর্ঘটনাকবলিত নসিমনটি হাইওয়ে থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় মাগুরা সদর থানায় অপমৃত্যু মামলার প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
কাসেমুর রহমান শ্রাবণ/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে রাজাপুর প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৬ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ঝালকাঠিতে সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও নাগরিক প্রত্যাশা পূরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে রাজাপুর প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রেসক্লাবের সভাকক্ষে ৩৫তম বছর, প্রতিবন্ধকতা ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাজাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তালুকদার আবুল কালাম আজাদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মাসুম বিল্লাহ পারভেজ ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বাবু রতন দেবনাথ।
বক্তারা বলেন, ‘সাংবাদিকতা সমাজের দর্পণ। নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, অনিয়ম তুলে ধরা এবং নাগরিক প্রত্যাশা পূরণে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
এ সময় বক্তারা এলাকার উন্নয়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও সুধীসমাজের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।’
সভায় রাজাপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুল বারেক ফরাজী, সাধারণ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান, সাবেক সভাপতি মো. এনামুল হোসেন খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল আলম বাবুলসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্য ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাজাপুর প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবু গোপাল কর্মকার।
নেয়ামুল আহসান/অলি/
