অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে একটিতেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ নারী দল। ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হারের হতাশা থাকলেও সফর থেকে ইতিবাচক দিক খুঁজে নিচ্ছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। তাঁর মতে, কয়েকজন ক্রিকেটারের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স এবং তরুণদের লড়াই ভবিষ্যতের জন্য আশার জায়গা তৈরি করেছে।
বিজ্ঞাপন
সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে অর্ধশতক করেছেন শারমিন আক্তার ও স্বর্ণা আক্তার। এর আগে দ্বিতীয় ম্যাচে সোবহানা মোস্তারি খেলেছেন শতরানের ইনিংস। নারী ওয়ানডেতে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
সফরের প্রাপ্তি নিয়ে জ্যোতি বলেন, “প্রতিটি ম্যাচেই দলের কোনো না কোনো খেলোয়াড় এগিয়ে এসেছে। এখান থেকে আমরা অনেক ইতিবাচক দিক পেয়েছি, যা ভবিষ্যতে কাজে লাগাব। এই সিরিজ থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে।”
তরুণ ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সেও সন্তুষ্ট বাংলাদেশ অধিনায়ক। এই সফরে দুজন ক্রিকেটারের অভিষেক হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাঁদের জন্য চ্যালেঞ্জটা কঠিন ছিল বলে মনে করেন জ্যোতি। তবে মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টায় ঘাটতি দেখেননি তিনি।
এ বিষয়ে জ্যোতির ভাষ্য, “আমরা কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড়কে ভালো করতে দেখেছি। আমাদের দুজনের অভিষেকও হয়েছে। তাদের জন্য চ্যালেঞ্জটা কঠিন ছিল, তবে মাঠে তারা নিজেদের শতভাগ দিয়েছে।”
সিরিজের ফল বাংলাদেশের জন্য হতাশার হলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও তরুণদের অভিজ্ঞতাকে ভবিষ্যতের পুঁজি হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক। এখন সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজেদের ঘাটতি কাটিয়ে ওঠাই হবে বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।
