রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশন ও চেম্বারগুলোকে নিয়ে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছে এফবিসিসিআইর নবগঠিত ‘রপ্তানি গবেষণা সেল’। গতকাল বুধবার বিকালে রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক।
দেশের রপ্তানি ঝুড়ি বহুমুখীকরণ, সম্ভাবনাময় অপ্রচলিত খাতগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা নিশ্চিত করতে সম্প্রতি দেশের সব বাণিজ্য চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনে ‘রপ্তানি গবেষণা সেল’ গঠনের নির্দেশনা দেয় সরকার। সরকারের সেই নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন এফবিসিসিআইতে এই বিশেষ গবেষণা সেল গঠন করা হয়। সভায় এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, এই গবেষণা সেলটি মূলত বৈশ্বিক বাজার বিশ্লেষণ, পলিসি অ্যাডভোকেসি এবং বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত গবেষণালব্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে কাজ করবে। সেলের কার্যক্রম ফলপ্রসূ ও গতিশীল করতে এফবিসিসিআইর সদস্যভুক্ত সব চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনকে নিজ নিজ খাতের হালনাগাদ তথ্য, সম্ভাবনা ও প্রায়োগিক পরামর্শ দিয়ে সক্রিয় সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে রপ্তানি গবেষণা সেলের রূপরেখা ও সার্বিক কর্মপরিকল্পনার ওপর বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআইর মহাসচিব মো. আলমগীর। পরে মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এলডিসি উত্তরণ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিদ্যমান বাধা এবং সমাধানের উপায় তুলে ধরেন।
সভায় সরাসরি ও ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) কর্মকর্তারা। এ ছাড়া বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, এমসিসিআই, চাঁদপুর উইমেন চেম্বার, কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন, ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, অ্যালুমিনিয়াম ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ হালকা প্রকৌশল ও এসএমই খাতের শীর্ষ প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
