ফেরদৌসী মিষ্টির শূন্য আসনে ভোটের তারিখ ঘোষণা
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০২ পিএম
ছবি:সংগৃহীত
-->ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে উপনির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ নভেম্বর এই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নির্বাচনী তফসিল জারি করা হয়।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৬ অক্টোবর নির্বাচন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। জমা পড়া মনোনয়নপত্রগুলো বাছাই করা হবে ২৭ অক্টোবর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ নভেম্বর। আর সর্বশেষে ১২ নভেম্বর এই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন
আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, পদত্যাগী সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ বিএনপি থেকে নির্বাচিত হওয়ায় এই শূন্য আসনে এককভাবে কেবল বিএনপিই প্রার্থী মনোনয়নের সুযোগ পাবে। যদি বিএনপি থেকে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকেন, তবেই শুধু ভোটের দিন বিএনপি জোটের সংসদ সদস্যরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। তবে সংরক্ষিত নারী আসনে সচরাচর একক প্রার্থী মনোনীত হওয়ার রীতি থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
উল্লেখ্য, ঢাকার মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির নাম ও সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে গত ১ অক্টোবর সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দেন ফেরদৌসী আহমেদ। তার এ পদত্যাগের পর আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। আসনটি খালি হওয়ার পরপরই তা পূরণে বিএনপির শীর্ষ এবং তৃণমূলের নারী নেত্রীদের মধ্যে মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে।
এলিস/নাঈম
আরও পড়ুন
তিন বন্দরের আর্থিক অনিয়ম রোধ ও নিরীক্ষা আপত্তি নিষ্পত্তির তাগিদ
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দরের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিচালন কার্যক্রম এবং নিরীক্ষা আপত্তি পর্যালোচনা করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছে জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত কমিটি। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ, দীর্ঘদিনের নিরীক্ষা আপত্তি নিষ্পত্তি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির পঞ্চম বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
আরও পড়ুন
বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলোচনা হয়। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে পণ্যভর্তি কনটেইনার নিখোঁজ হওয়া এবং বন্দরের নিরাপত্তাঝুঁকি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আলোচনা করা হয়। বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা নিলামযোগ্য কনটেইনার ও যানবাহন দ্রুত নিষ্পত্তি, কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন ব্যাংকে রাখা মেয়াদোত্তীর্ণ স্থায়ী আমানত ফেরত আনা এবং দীর্ঘদিনের নিরীক্ষা আপত্তি নিষ্পত্তির বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়। মোংলা ও পায়রা বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রম ও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনায় প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রকল্পে অনিয়ম বা আর্থিক ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের দায় নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংসদ সচিবালয় এবং তিন বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া হিসাব মহানিয়ন্ত্রক ও অতিরিক্ত হিসাব মহানিয়ন্ত্রক বৈঠকে অংশ নেন।
এলিস/রিফাত/
আরও পড়ুন
চকবাজারে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম
ছবি:সংগৃহীত
-->রাজধানীর চকবাজারে মনজুর খান প্লাজার ছয়তলায় একটি দোকানে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ২ মিনিটের দিকে আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটে।
আগুন লাগার দুই মিনিট পর, বিকেল ৫টা ৪ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের কাছে খবর পৌঁছায়। পরে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন।
আরও পড়ুন
চকবাজারের এসি মসজিদের পাশে ছোট কাটারায় মনজুর খান প্লাজার ছয়তলায় আগুন লাগে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
নাঈম/
আরও পড়ুন
জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে ইইউ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মাহ্দী আমিনের বৈঠক
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। ছবি: সংগৃহীত
-->বাংলাদেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে নিরাপদ ও বৈধ উপায়ে জনশক্তি প্রেরণ, অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচার রোধ এবং দক্ষ কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে ইইউর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।
সোমবার (১২ অক্টোবর) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ইইউর অভ্যন্তরীণ বিষয় ও অভিবাসনবিষয়ক কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার।
সাক্ষাৎকালে ভিসা প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা আনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে যেকোনো ধরনের জালিয়াতি রোধ ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে শিক্ষাগত সনদ এবং ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ আর্থিক নথিপত্রে কিউআর কোড সংযোজনের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা যাতে সহজে ও বৈধ চ্যানেলে দেশে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারেন এবং বাংলাদেশ থেকে মানসম্মত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ কর্মী প্রেরণের মাধ্যমে ইউরোপের শ্রমবাজারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন
জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক বাড়ানোর অন্যতম উপায় অভিবাসন। এ ছাড়া দুই পক্ষের সম্পর্ক উন্নয়নসহ বহুমাত্রিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বহু শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যান। সেই প্রক্রিয়া আরও কীভাবে সহজ করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি ‘ব্রেন ড্রেইন’কে কীভাবে ‘ব্রেন সার্কুলেশনে’ রূপান্তর করা যায়, তা নিয়েও কথা হয়।
সাক্ষাতে ম্যাগনাস ব্রুনার জানান, বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে বৈধভাবে প্রায় পাঁচ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন। তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচার দমনের পাশাপাশি বৈধ পথে অভিবাসন নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার নিয়মতান্ত্রিক, নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
তিনি ইইউ প্রতিনিধিদলকে বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন নীতিগত সংস্কার, উন্নয়নমূলক উদ্যোগ এবং ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও প্রবাসী কার্ড চালুর বিষয়ে অবহিত করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে কর্মী প্রেরণের পুরো প্রক্রিয়া কীভাবে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও জবাবদিহিমূলক করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলে কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইইউর পরিচালক হেনরিক নীলসেন এবং ক্যাবিনেট সদস্য গ্রিগোরিওস ডেলাভেকোরাস। এ ছাড়া ইইউ প্রতিনিধিদলের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, ডেপুটি হেড অব ডেলিগেশন বাইবা জারিনা এবং একজন ফার্স্ট কাউন্সেলর।
মো. আলী/রিফাত/
আরও পড়ুন
মেয়েদের বিয়ের বয়স কমাতে বড় বড় নেতারা তদবির করছেন: ববি হাজ্জাজ
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২০ পিএম
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ছবি: সংগৃহীত
-->দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলের নেতারা মেয়েদের বিয়ের বয়স কমানোর জন্য তদবির করছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
তিনি বলেন, ‘এখন দেশে যেসব বড় রাজনৈতিক দল আছে, যাদের বড় বড় নেতারা দিনে রাতে আর্জি করছে যে, মেয়েদের বিয়ের বয়সসীমা কত অল্প বয়সে নামিয়ে দেওয়া যায়। এ জায়গা থেকে আমি বলি, একটা জ্ঞানভিত্তিক জায়গা থেকে তাদের চাওয়াটা যেন প্রকাশ করতে পারে সেটাও সরকারের দায়িত্ব। একই সঙ্গে আমি মনে করি আজকে আমাদের ডেভেলপমেন্ট পার্টনার (উন্নয়ন সহযোগী), মিডিয়া কর্মীসহ যারা উপস্থিত আছেন, তাদেরও দায়িত্ব, জনগণকে সঠিক তথ্য দেওয়া, সঠিকভাবে জানা।’
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা) ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত ‘হার স্কিলস, হার ফিউচার’ প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন
বিয়ের বয়স নিয়ে ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ তুলে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কিছুদিন আগে কোন একটা প্রোগ্রামে আমি বলছিলাম জাস্ট আজ থেকে ৪ হাজার বছর আগের লিখিত ইতিহাস থেকে আমরা জানি ইজিপ্টে ম্যারেজ এজ ২০ প্লাস। আজ থেকে ২৫০০ বছর আগে গ্রিসে অ্যাভারেজ ম্যারেজ এজ ছিল ৩০ বছরের মধ্যে। আজকে ২০২৬ সালে এসে রোবটিক্স রুলসের যুগে তখন আমাদের দেশের রাজনৈতিক আলোচনা হলো যে বিয়ের বয়স কত কমিয়ে নিয়ে আসা যায়।’
তিনি বলেন, নারীর টেকসই ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে শুধু পেশাগত প্রশিক্ষণ বা কর্মসংস্থানের সুযোগ যথেষ্ট নয়। এর পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগদক্ষতা, অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা এবং পারিবারিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি।
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে পরিবারের নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগ, সামাজিক চাপ ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বিবেচনায় নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। মেয়েদের শিক্ষা, দক্ষতা অর্জন ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ বাড়ানো গেলে তাঁরা নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে আরও সক্ষম হবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে থাকা কিশোরী ও তরুণীদের দক্ষতা উন্নয়নের কর্মসূচিতে পরিবারকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে আইনগত সুরক্ষা ও সচেতনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিও গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের চিফ অব এডুকেশন দীপা শঙ্কর। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপ এবং কোইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম। এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
কাজল/রিফাত/
