দেবী দুর্গার সাজে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার মুখায়বয়ব দিয়ে কিছু ছবি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিগুলো এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি বলে জানিয়েছেন এই সংসদ সদস্য।
তিনি বলেন, দেবী দুর্গার সাজে আমার একটি সম্পাদিত ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভাজন ও ঘৃণা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে দ্য ডেইল স্টারকে এ কথা জানান তিনি।
এছাড়া নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রুমিন ফারহানা বলেন, যারা ঘৃণার চর্চাকে ধর্ম মনে করেন, তাদের উদ্দেশে তার বক্তব্য রয়েছে।
ধর্ষণ, সহিংসতা, দুর্নীতি, প্রতারণা ও অন্যের অধিকার হরণের মতো কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলেই কেবল ধর্ম চলে যায়—এমন ধারণা প্রচলিত রয়েছে।
পোস্টের শেষাংশে রুমিন ফারহানা বলেন, দেবী দুর্গার দশটি হাত। ছড়িয়ে পড়া ছবিতে হাতের সংখ্যা নিয়েও ভুল রয়েছে। তার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে মানুষের আচরণ, নৈতিকতা ও অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের গুরুত্ব উঠে এসেছে।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে আশুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন রুমিন ফারহানা। এ সময় পূজামণ্ডপে তার উপস্থিতি এবং দুর্গা প্রতিমা পরিদর্শনের ছবি ও পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুমিন ফারহানা ডেইলি স্টারকে বলেন, এআই জেনারেটেড ছবি ছড়িয়ে বিভাজন ও ঘৃণা উসকে দেওয়ার বিষয়টি শুধু আমার একার অবমাননা নয়, এটা সব ধর্মের মানুষের জন্য অবমাননাকর। একটা মানুষকে দেবী বানানো সব ধর্মের জন্য অবমাননাকর।
