শিক্ষাবিদ, ক্রীড়া সংগঠক ও ষাটের দশকে চট্টগ্রামের অন্যতম শীর্ষ ছাত্রনেতা প্রফেসর শায়েস্তা খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। গত বছর ১১ অক্টোবর নগরীর সার্জিস্কোপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
পেশাগত জীবনে প্রফেসর শায়েস্তা খান চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ, ঢাকার সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এবং চট্টগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন।
তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল ও সরকারি কমার্স কলেজের ছাত্র ছিলেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করেন। ষাটের দশকে সামরিক স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে চট্টগ্রামের অন্যতম শীর্ষ ছাত্রনেতা ছিলেন শায়েস্তা খান। গণঅভ্যুত্থানসহ তৎকালীন রাজনীতিতে তিনি অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা রাখেন ।
খেলা অন্তপ্রাণ মানুষ ছিলেন প্রফেসর শায়েস্তা খান। ১৯৬১-৬২ সালে তিনি চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬৩-৬৪ সালে একই কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৬৮ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সাংঠনিক কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৯০ সাল থেকে ২০২৫ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরী ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ।
শিক্ষাবিদ, ক্রীড়া সংগঠক, কলাম লেখক – এই তিন ভূমিকায় প্রফেসর শায়েস্তা খান ছিলেন অত্যন্ত সফল। তিনি বি.কম (অনার্স ও পাস কোর্স) এবং এম.কম-এর শিক্ষার্থীদের জন্য রচনা করেন ‘বাণিজ্যিক ও শিল্প আইন’ শীর্ষক বই। ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর স্মৃতিচারণামূলক বই ‘পঞ্চাশের দশকের চট্টগ্রাম এবং আমার ছেলাবেলা’।
প্রফেসর শায়েস্তা খানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর ক্রীড়া সংস্থা আগমীকাল বুধবার সংস্থার কার্যালয়ে বাদ আসর কোরআন খতম ও সন্ধ্যায় স্মরণ সভার আয়োজন করেছে।
The post প্রফেসর শায়েস্তা খানের প্রয়াণের এক বছর appeared first on সুপ্রভাত বাংলাদেশ.
