ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে লাল কার্ড পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আবারও সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ফুটবলভিত্তিক গোলডটকম এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছেন।
লা লিগায় গত সপ্তাহের ম্যাচে ভিয়ারিয়ালের বিরুদ্ধে ১-০ গোলের জয় পায় রিয়াল মাদ্রিদ। তবে টানা অফ-ফর্মের কারণে কোচ হোসে মরিনহো ভিনিসিয়ুসকে শুরুর একাদশে না রেখে সাইডবেঞ্চে বসিয়ে রাখেন।
ম্যাচের প্রথমার্ধের পর বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন ভিনিসিয়ুস। কিন্তু একটি বিতর্কিত গোল বাতিল হওয়ার পর মেজাজ হারিয়ে ৭৩তম মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
ফর্মহীনতায় ভোগা এই ফরোয়ার্ড লাল কার্ডের শাস্তির কারণে চলতি মাসের বহুল প্রতীক্ষিত ‘এল ক্লাসিকো’তে মাঠে নামতে পারছেন না।
মাঠের এই হতাশার কয়েক ঘণ্টা পরেই নতুন ধাক্কা পান ব্রাজিলিয়ান তারকা। জানা যায়, বান্ধবী ভার্জিনিয়া ফনসেকার সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়ে গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথমে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এর পরপরই ফনসেকার প্রেস অফিস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ভার্জিনিয়া ফনসেকা ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র আর একসঙ্গে নেই। তাদের মধ্যে কোনো সংঘাত বা ঝগড়া হয়নি। কেবল দুজনে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
চলতি বছরেই এটি তাদের দ্বিতীয় বিচ্ছেদ। এর আগে ২০২৬ সালের মে মাসেও তাদের বিচ্ছেদের খবর এসেছিল।
প্রথম দফায় আলাদা হওয়ার পর ২০২৬ সালের জুনে তারা ফের একত্র হন তারা। সেপ্টেম্বর মাসে তাদের বাগ্দানের আংটিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের দেখান।
অফিসিয়াল বিবৃতি দেওয়া হলেও বিচ্ছেদের গুঞ্জন ঘুরপাক খাচ্ছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, রিয়াল মাদ্রিদ তারকাকে ছাড়া ভার্জিনিয়া একা মায়ামি সফরে গেলে গুঞ্জনের সূত্রপাত হয়। যদিও সে সময় ভার্জিনিয়ার প্রতিনিধি দল জানায়, সন্তানরা যেন তাদের বাবা জে ফেলিপের সঙ্গে সময় কাটাতে পারে, কেবল সে কারণেই ওই সফরটি ছিল।
সূত্র: গোলডটকম।
