শনিবার রাতে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে সরাসরি লাল কার্ড দেখার পর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ জানার অপেক্ষায় রয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এদিকে মাঠের বাইরেও রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকার ব্যক্তিগত জীবনে চলছে অস্থিরতা।
ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে লা লিগার ম্যাচে ১-০ গোলে জয়ের পরও লাল কার্ডের কারণে শাস্তির মুখে পড়তে পারেন ভিনিসিয়ুস। আগামী ২৫ অক্টোবর বার্সেলোনার বিপক্ষে এল ক্লাসিকোতেও নিষিদ্ধ হতে পারেন তিনি। ফ্রান্সের আরএমসি নেটওয়ার্কের দাবি, এমন অনিশ্চয়তার মধ্যেই প্রেমিকা ভার্জিনিয়া ফনসেকার সঙ্গে তাঁর আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয়েছে।
ইনস্টাগ্রামে ৫৬ মিলিয়ন অনুসারী থাকা এই ইনফ্লুয়েন্সারের প্রেস অফিসের দেওয়া বিবৃতির বরাত দিয়ে ব্রাজিলের গণমাধ্যম জানিয়েছে, ‘কোনো মতবিরোধ বা তর্ক নয়। শুধু পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে তাঁদের সম্পর্কের ইতি ঘটেছে।’ ভিনিসিয়ুস কিংবা ফনসেকা—কেউই এ বিষয়ে মন্তব্য করেননি।
২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ভিনিসিয়ুস ও ফনসেকার সম্পর্ক নিয়ে ব্রাজিল ও স্পেনের গণমাধ্যমে আলোচনা চলছে। গত মে মাসেও একবার তাঁদের বিচ্ছেদ হয়েছিল। জুলাইয়ে আবার একসঙ্গে হন তাঁরা। এরপর বেশ কয়েকবার প্রকাশ্যে দেখা গেছে এই জুটিকে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি স্প্যানিশ ফর্মুলা ওয়ান গ্রাঁ প্রিতে তাঁদের হাত ধরে থাকতে দেখা যায়।
এদিকে মাঠেও সংকটে রয়েছেন ভিনিসিয়ুস। চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো তাঁকে বেঞ্চে বসে থাকতে হয়েছিল। মাঠে নেমে অল্প সময়ের মধ্যেই নায়ক থেকে খলনায়কে পরিণত হন তিনি। ৭০ মিনিটে গোল করে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেছেন বলে মনে করেছিলেন। কিন্তু গোলের বিল্ডআপের সময় কানাডার নাথান সালিবার চুল টেনে ধরার অভিযোগে তাঁকে লাল কার্ড দেখানো হয়।
রেফারির এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ছিলেন কোচ হোসে মরিনিও। ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনেও তিনি উপস্থিত হননি।
