যার গলায় মালা দেওয়া হচ্ছে তিনি রনি শিকদার, যিনি মালা দিচ্ছেন তিনি নিহত সাকের হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
-->মাগুরা বাস টার্মিনালে রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টারে ঢুকে পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাকের হোসেনকে (৩৯) গুলি করে হত্যার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের সদস্য রনি শিকদার ও শামীমা তাবাসসুম লুবনা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সাকের হত্যা মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রনি শিকদার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের নেতা। অন্যদিকে শামীমা ইয়াসমিন মাগুরা জেলা জজ আদালতের একজন আইনজীবীর বোন।
আরও পড়ুন
নিহত সাকের হোসেন মাগুরা পৌরসভার পারনান্দুয়ালী গ্রামের মৃত কুতুবুদ্দিনের ছেলে। তিনি রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টার মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সাকের কাউন্টারের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় সাইলেন্সার পাইপ খোলা একটি মোটরসাইকেলে দুই ব্যক্তি সেখানে আসেন। মোটরসাইকেলটি চালু রেখেই তাদের একজন কাউন্টারের ভেতরে ঢুকে সাকেরের মাথায় গুলি করে। পরে দুজন দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যান।
আরও পড়ুন
স্থানীয় লোকজন সাকেরকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে নিহতের স্ত্রী শারমিন নাহার বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। ওই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে রনি শিকদার ও শামীমা তাবাসসুম লুবনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুজ্জামান বলেন, মামলার তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে। খুব শিগগির প্রকৃত আসামিদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।
শ্রাবণ/নাঈম
