প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো সুন্দরবন ও মোংলা বন্দর সফর করে গেলেন তারেক রহমান। সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে তাকে বহনকারী বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দাকোপ উপজেলার সুতারখালী ইউনিয়নের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠের অস্থায়ী হেলিপ্যাডে অবতরণ করে।
অবতরণের পর বেলা পৌনে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নলিয়ান লঞ্চঘাট থেকে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা করেন। প্রায় ১২ টা ৫০ মিনিটে তিনি বানৌজা জেটিতে পৌঁছান। বেলা ৩ টায় মোংলা বন্দরের জেটি এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেন।
বাগেরহাট -৩ (রামপাল- মোংলা) আসনের সংসদ সদস্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবনের পর্যটন সম্ভাবনা, মোংলা বন্দরের বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ সরেজমিনে পরিদর্শন করে গেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি আশা করেন, প্রধানমন্ত্রীর এ পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের সম্ভাবনা গুরুত্ব আরো বেড়েগেল।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন,দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের এই জনপদ দির্ঘ দিন উন্নয়নবঞ্চিত ছিলো। তাই এ অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন করতে হলে এখানে শিল্পায়ন করতে হবে। মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, বেজা প্রস্তাবিত ইকোনমিক জোন ও সুন্দরবনের পর্যটন—সবকিছু দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দর সফর করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমানের এ সফরে পর মোংলা বন্দর ও তৎসংলগ্ন শিল্পাঞ্চলে ব্যপক উন্নোয়ন হবে। এতে করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। দেশের অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হবে।
