Published on
:
1 min read
এই সময়, নয়াদিল্লি: আসাফিলা এবং লঙ্গজ়ুর বেস বাদ দিয়ে অরুণাচল প্রদেশে ভারত-চিন সীমান্তে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে সেনা সূত্রের দাবি। ইন্ডো-টিবেটান বর্ডার পুলিশের (আইটিবিপি) ডিজি শত্রুজিৎ কাপুর বৃহস্পতিবার জানান, অরুণাচলের সীমান্তে গত জুলাই থেকেই বিক্ষিপ্ত ভাবে সংঘাত পরিস্থিতি চলছে, যা হালফিলে বেড়েছে। এর পরেই বর্ডার-পরিস্থিতি নিয়ে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, প্যাট্রলিংয়ের যে নির্ধারিত এবং প্রতিষ্ঠিত রুট রয়েছে, চিন তা লঙ্ঘন করলেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
এই প্রেক্ষাপটে শনিবার সেনা সূত্রের দাবি, তাকসিং সার্কেলের আসাফিলা এবং লঙ্গজ়ুতে প্যাট্রলিং রুট নিয়ে প্রায়ই গোলমাল পাকাচ্ছে চিনের সেনা। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘাত হলেও বড়সড় কোনও সংঘর্ষ এখনও পর্যন্ত হয়নি বলে সেনার দাবি। অরুণাচলের পরিস্থিতি সামনে রেখে এ বার পূর্ব লাদাখেও প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বাড়তি সেনা মোতায়েন করতে চলেছে বলে সূত্রের দাবি। ভারতীয় ভূখণ্ডের যে সব এলাকায় ঢুকে চিনা ফৌজ ঘাঁটি গাড়ার চেষ্টা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে, সে সব এলাকা ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনা ঘিরে ফেলেছে। সামনেই শীত। লাদাখের উঁচু পার্বত্য এলাকায় প্রবল তুষারপাতের কথা মাথায় রেখে যাবতীয় ফোর্স মবিলাইজ়েশন করা হয়েছে বলে দাবি প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের৷
এ দিকে অরুণাচল নিয়ে এ দিনও সরব ছিল বিরোধীরা। কংগ্রেস সাংসদ ও দলের অন্যতম মুখপাত্র পবন খেরার প্রশ্ন, ‘মোদী সরকার সত্য গোপন করছে কেন? আমরা জানতে চাই লাদাখ এবং অরুণাচল সীমান্তে ২০২০-র আগে যে সব প্যাট্রলিং পয়েন্টে আমরা নিয়মিত টহলদারি চালাতাম, সেখানে কি আমরা এখনও টহল দিতে পারছি? সরকার কি চিনকে ভয় পাচ্ছে?’ লাদাখ এবং অরুণাচলে সর্বদলীয় প্রতিনিধি পাঠানোর দাবিও তুলেছে কংগ্রেস।
