সিনেদুনিয়ায় কখন কী রটে, বলা দায়! দিন কয়েক ধরেই টালিগঞ্জ স্টুডিওপাড়ায় ফিসফাস, বনি-কৌশানীর একদশকের প্রেমে নাকি চিড় ধরেছে। গুঞ্জনের হাওয়া অবশ্য এখানেই থেমে থাকেনি। আরও একধাপ এগিয়ে নায়িকার নাম জড়িয়েছে পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। সামনেই পুজোর পর্দায় ‘বহুরূপী: দ্য গোল্ডেন ডাকু’র মুক্তি। এমন আবহেই পরিচালক-অভিনেত্রীর সম্পর্কের গুঞ্জন দাবানল গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। কানাঘুষো, সেকারণেই নাকি বনি সেনগুপ্তর সঙ্গে কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের এগারো বছরের প্রেমে চিড় ধরেছে! এহেন গুঞ্জনে যখন তোলপাড় সিনেদুনিয়া, তখন এমন আবহেই মুখ খুললেন বনি।
দিন কয়েক আগে নাকি এক অনুষ্ঠানে কৌশানী উপস্থিত হওয়ার পরই সেখান থেকে বেরিয়ে যান বনি। সেখান থেকেই তাঁদের বিচ্ছেদ গুঞ্জনের সূত্রপাত।
বিচ্ছেদ জল্পনার মাঝেই সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বনি সেনগুপ্ত। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, “রিল আর রিয়েল লাইফের ময়দামুখো কি এক হয়? দিনের শেষে রিয়েল লাইফের ময়দামুখোর কাছেই ফিরতে হবে। শুটিং করে বাড়িতে তো আমার কাছেই আসতে হবে। যা রটে, তা কি আর ঘটে সবসময়ে? কারও কারও ক্ষেত্রে হয়তো সত্যি হয়!” যদিও ‘কারও কারও’ শব্দে টলিউডেরই অন্য কোনও জুটির দিকে ইঙ্গিত করলেন কিনা, সেই উত্তর অধরা, তবে কৌশানীর সঙ্গে যে দিব্যি প্রেম চলছে, সেটাই স্পষ্ট করে দিলেন অভিনেতা। তাও আবার অভিনেত্রীকে পাশে নিয়েই।
দিন কয়েক আগে নাকি এক অনুষ্ঠানে কৌশানী উপস্থিত হওয়ার পরই সেখান থেকে বেরিয়ে যান বনি। সেখান থেকেই তাঁদের বিচ্ছেদ গুঞ্জনের সূত্রপাত। এবার এক অনুষ্ঠানে বনির বাহুলগ্না হয়ে শিবপ্রসাদের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী। কৌশানীর কথায়, “জুটি হিসেবে সকলে তো গ্রহণযোগ্যতা পায় না। ‘বহুরূপী’র জন্য তো এটা ভালো খবর। তবে বাস্তবের জুটি তো আলাদা।” অতঃপর নিন্দুকেরা যতই বিচ্ছেদগুঞ্জন ছড়ান না কেন, বনি-কৌশানী যে একে-অপরের সঙ্গে দিব্যি রয়েছেন, সেটাই রবিবাসরীয় রাতে এক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে হাজির হয়ে স্পষ্ট করে দিলেন তারকাযুগল।
২০১৫ সালে মুক্তি পায় রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত ‘পারব না আমি ছাড়তে তোকে’। সেই ছবিতে জুটি বাঁধেন বনি ও কৌশানী। রুপোলি পর্দার প্রেম বাস্তবে পরিণত হতে খুব বেশি সময় লাগেনি। প্রেম নিয়ে কোনওদিন লুকোছাপা করেননি তারকাজুটি।
