কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণসুবিধা সম্প্রসারণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের কার্যকর ব্যবহার এবং উত্তরবঙ্গের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি ‘এনআরবিসি সুফলা ও এনআরবিসি গতি: এসএমই রিফাইন্যান্স বিজনেস পেনিট্রেশন অ্যান্ড রিভিউ মিটিং’ শীর্ষক এক কর্মশালার আয়োজন করেছে।
গত ১৫ অক্টোবর বগুড়ায় অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন এনআরবিসি ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ বিজনেস অফিসার মো. শাহীন হাওলাদার।
কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের এসএমই-এগ্রি বিজনেস ডিপার্টমেন্টের প্রধান মো. রমজান আলী ভূঁইয়া, সিআরএমডি-এসএমই বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, রাজশাহী জোনাল হেড অসিম কুমার দাস, রংপুর জোনাল হেড হিমাদ্রি শেখর দুবে এবং বিভিন্ন শাখা ও উপশাখার ব্যবস্থাপকরা।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ও পল্লী খাতের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম, কটেজ, মাইক্রো, স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজ (সিএমএসএমই) খাতের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল এবং উত্তরবঙ্গের কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। এসব কর্মসূচি কৃষি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত দেন বক্তারা।
কর্মশালায় ‘এনআরবিসি সুফলা’ ও ‘এনআরবিসি গতি’ কর্মসূচির আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা সম্প্রসারণ, নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা চিহ্নিতকরণ এবং কৃষক ও উদ্যোক্তাদের কাছে সহজে অর্থায়ন পৌঁছে দেওয়ার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের কৃষকদের কৃষি উৎপাদন, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ এবং প্রক্রিয়াজাতকরণে অর্থায়নের সুযোগ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. শাহীন হাওলাদার বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচিগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা উন্নয়ন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদারের বড় সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, কৃষি ও ক্ষুদ্র খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগগুলোকে আরও গতিশীল করতে হবে। একই সঙ্গে সঠিক গ্রাহক নির্বাচন, পরিকল্পিত ঋণ বিতরণ এবং নিয়মিত আদায় তদারকির মাধ্যমে ব্যাংকের ব্যবসা সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
