বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ এবং এ দেশের উর্বর মাটিতে যে কোনো ফসল ফলানো সম্ভব। কিন্তু আবাদি জমি দিন দিন কমে যাওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদন করা যাচ্ছে না। এই সংকটের সুযোগ নিয়ে অনেক কৃষক অতিরিক্ত লাভের আশায় ফসলে অতিমাত্রায় কীটনাশক ও রাসায়নিক ব্যবহার করছেন। আবার অনেক ব্যবসায়ী ফল পরিপক্ব হওয়ার আগেই কৃত্রিমভাবে পাকিয়ে বাজারজাত করছেন। এসব রাসায়নিকযুক্ত ফল ও সবজি দেখতে সুন্দর ও আকর্ষণীয় হওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা তা কিনে খাচ্ছেন যা মানুষের শরীরে ক্যানসার ও কিডনি বিকল হওয়ার মতো মারাত্মক রোগব্যাধি ছড়াচ্ছে। ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিকের ওষুধ ক্রয়ের ক্ষেত্রে যেমন চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন প্রয়োজন হয়, তেমনি কৃষিতেও ক্ষতিকর কীটনাশক ও রাসায়নিক বিক্রির ক্ষেত্রে দ্রুত প্রেসক্রিপশন ব্যবস্থা চালু করা উচিত। সরকারি কৃষি কর্মকর্তার লিখিত অনুমতি ছাড়া যে কোনো তীব্র বিষাক্ত রাসায়নিক কেনাবেচা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হোক। পাশাপাশি বাজারে নিয়মিত তদারকি চালিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সরকারের এখনই কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
এমএ হাবীব : শিক্ষার্থী, ব্যবস্থাপনা বিভাগ
সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া
