ঢাকায় আসছেন ‘মেরি জিন্দেগি হ্যায় তু’খ্যাত পাকিস্তানি অভিনেতা
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম
আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেতা বিলাল আব্বাস খান আসছেন ঢাকায়। ‘ইশক মুর্শিদ’ ও ‘মেরি জিন্দেগি হ্যায় তু’ দিয়ে বাংলাদেশের দর্শকদের মন জয় করেছেন তিনি। এবার সরাসরি দেখা মিলবে এই অভিনেতার।
আগামী ৬ নভেম্বর ঢাকায় ‘পাকিস্তান লাইফস্টাইল এক্সিবিশন’-এ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিলাল। তার সঙ্গে আসবেন মা ও ফ্যাশন ডিজাইনার ফারহানা সোহেল। ৪ থেকে ৮ নভেম্বর গুলশান-১-এর গুলশান শুটিং ক্লাবে চলবে পাঁচ দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে আয়োজনটি। প্রদর্শনীতে পাকিস্তানের ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা, বিয়ের পোশাক, বিভিন্ন ফ্যাশন ব্র্যান্ডের পণ্য এবং দেশটির জনপ্রিয় খাবার তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি থাকবে ফারহানা সোহেলের নকশা করা পোশাকের সংগ্রহ।
‘ইশক মুর্শিদ’ ছাড়াও ‘মেরি জিন্দেগি হ্যায় তু’, ‘মান জোইগি’, ‘পেয়ার কে সদকে’ ও ‘চিখ’ নাটকে অভিনয় করে পরিচিতি পেয়েছেন বিলাল আব্বাস খান। বৈচিত্র্যময় অভিনয়ের কারণে পাকিস্তানের বাইরেও তার জনপ্রিয়তা বেড়েছে।
পাকিস্তানের লাইফস্টাইলবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘পাকিস্তান লাইফস্টাইল এক্সিবিশন’ এক ঘোষণায় বিলালের ঢাকা সফরের তথ্য জানিয়েছে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দর্শনার্থীরা পাকিস্তানি ফ্যাশন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে প্রিয় অভিনেতাকে কাছ থেকে দেখার অপেক্ষায় থাকবেন তার ভক্তরা।
আরও পড়ুন
গান শেষের আগেই বন্ধ মাইক, মঞ্চে অপমানিত শিল্পা রাও
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৮ পিএম
আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->গান শেষ করার আগেই বন্ধ করে দেওয়া হলো ভারতীয় গায়িকা শিল্পা রাওয়ের মাইক। শুধু গান নয়, দর্শকদের ধন্যবাদ জানানোর সময়টুকুও দেওয়া হয়নি তাকে। মুম্বাইয়ে বলিউড মিউজিক প্রজেক্টের দশম আসরে এমন ঘটনা ঘটেছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন দর্শকরা।
গত ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় সংগীত আয়োজনটি। সেখানে পারফর্ম করছিলেন শিল্পা রাও। তবে অনুষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পিছিয়ে পড়ায় তার পরিবেশনায় সমস্যা তৈরি হয়। শুরু থেকেই মাইকে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। পরে ‘দেভারা’ সিনেমার ‘চুট্টামাল্লে’ গানটি গাওয়ার সময় তার মাইক বন্ধ হয়ে যায়।
শিল্পা দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বিদায় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তখন অন্য মঞ্চে সংগীতশিল্পী কুটলে খান তার পরিবেশনা শুরু করেন। শিল্পার কথা বলার সময়ও মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে দর্শকদের একাংশ আয়োজকদের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের কষ্টের কথা জানান শিল্পা। তিনি লেখেন, মুম্বাইয়ের সেই রাত তার হৃদয়ের একটি অংশ ভেঙে দিয়েছে। সংগীত থেমে গেলেও দর্শকেরা তার নাম ধরে ডাকছিলেন। তাদের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতাও জানান তিনি।
সমালোচনার মুখে ২৫ অক্টোবর ক্ষমা চেয়েছে বলিউড মিউজিক প্রজেক্ট কর্তৃপক্ষ। সময়সূচির বিলম্ব ও অনুষ্ঠানস্থলের বিধিনিষেধকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে তারা। তবে একই আয়োজনে হিমেশ রেশমিয়ার পরিবেশনা রাত ১০টার পরও চলায় আয়োজকদের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শিল্পা রাও বলিউডের জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়িকাদের অন্যতম একজন। ‘খোদা জানে’, ‘ইশক শাভা’, ‘মনমর্জিয়া’, ‘ঘুংরু’ ও ‘চুট্টামাল্লে’র মতো জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। ‘জওয়ান’ সিনেমার ‘চলেয়া’ গানেও তার কণ্ঠ শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে। প্লেব্যাক সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন এই শিল্পী।
আরও পড়ুন
কমেডিকে বিদায় জানালেন ‘দ্য ডিক্টেটর’খ্যাত কৌতুকাভিনেতা কোহেন
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বিখ্যাত চরিত্র আর ব্যঙ্গাত্মক অভিনয়ে বিশ্বজুড়ে পরিচিত সাচা ব্যারন কোহেন। ‘বোরাট’, ‘আলি জি’ ও ‘দ্য ডিক্টেটর’-এর মতো কাজ দিয়ে দর্শকদের হাসিয়েছেন তিনি। তবে এবার নিজের পরিচিত কমেডি ধারা থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছেন এই ব্রিটিশ অভিনেতা।
গত ২৩ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত নতুন সিনেমা ‘আলি জি: হু ইজ আই’। এটিই তার শেষ কমেডি সিনেমা হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ৫৫ বছর বয়সী এই অভিনেতা। সম্প্রতি দ্য হলিউড রিপোর্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
কোহেনের ভাষায়, নতুন সিনেমাটিই তার জীবনের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং কাজ। তবে ভবিষ্যতে আর এ ধরনের সিনেমা বানাতে চান না তিনি।
এর আগেও কমেডির পরিচিত চরিত্রগুলো থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা বলেছিলেন কোহেন। এবারও সেই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে কাজের ঝুঁকি ও কঠিন অভিজ্ঞতা। তবে নতুন সিনেমাটি বানানোর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।
কোহেন মনে করেন, সমাজ যে পথে এগোচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে। রাজনৈতিক মতাদর্শের দুই প্রান্তের চরমপন্থা এবং নৈতিকতার নামে সহিংসতার বিপদ তুলে ধরতেই সিনেমাটি বানিয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ছড়িয়ে পড়া ষড়যন্ত্রতত্ত্ব এবং মিথ্যাও তাকে ভাবাচ্ছে।
তার মতে, মানুষের মধ্যে অভিন্ন সত্যের ধারণা না থাকলে গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়বে। সহনশীল সমাজ গড়াও কঠিন হবে। একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, মানুষকে হাসানো একধরনের থেরাপি।
কোহেন জানিয়েছেন, এ ধরনের সিনেমার শুটিং শারীরিকভাবে কষ্টসাধ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন সিনেমার শেষ দৃশ্য ধারণ করতে হয়েছে ১২টি লোকেশনে, টানা আট ঘণ্টা ধরে। গুলির শব্দ, চিকিৎসার দৃশ্য, ড্রোন ও বিস্ফোরণের মতো উপাদান থাকায় নিরাপত্তায় বিশেষ গুরুত্ব দিতে হয়েছে।
২০০০ সালে ‘দ্য আলি জি শো’ দিয়ে পরিচিতি পান কোহেন। ২০০৬ সালের ‘বোরাট’ তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। পরে ‘ব্রুনো’, ‘দ্য ডিক্টেটর’ ও ‘হু ইজ আমেরিকা’-এর মতো কাজেও নিজের স্বতন্ত্র অভিনয়শৈলী তুলে ধরেন তিনি।
আরও পড়ুন
দীপিকা-আলিয়ার সঙ্গে তুলনা টেনে যে আক্ষেপ রাধিকার
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩২ পিএম
আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে আক্ষেপ করে বলেছেন– ‘আমি দীপিকা পাড়ুকোন বা আলিয়া ভাটের মতো টপ স্টার নই। তাই আমার সিনেমা হলে মুক্তি পেলে তা ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হতে পারে।’ তার মতে, বর্তমানে সিনেমা হলে দর্শক টানার ক্ষেত্রে শীর্ষ তারকাদের ওপরই বেশি ভরসা করেন প্রযোজকরা।
এ কারণে নারীকেন্দ্রিক সিনেমার বক্স অফিস সাফল্য নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে তার অভিনীত কোনো সিনেমার ক্ষেত্রে সেই নিশ্চয়তা নেই। সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার ও বক্স অফিসের বাস্তবতা নিয়ে কথা বলেন রাধিকা। বর্তমানে নিজের আসন্ন নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘আক্কা’র প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি প্রধান চরিত্রে থাকলে সিনেমাটি হলে মুক্তি পেয়ে সম্ভবত ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হবে, এমনকি সেটি সেরা সিনেমা হলেও। আমি আলিয়া ভাট বা দীপিকা পাড়ুকোনের মতো নই, যাদের সিনেমা মুক্তির সময় অন্তত ভালো উদ্বোধনী ব্যবসার আশা করা যায়। আমার সেই অবস্থান নেই।’
বক্স অফিসের এই হিসাব-নিকাশের কারণে তাকে এমন সিনেমায় কাজ করতে হয়, যেখানে পুরুষ অভিনেতারা প্রধান ভূমিকায় থাকেন বলেও জানান রাধিকা। তার মতে, বর্তমানে কোন ধরনের সিনেমা দর্শক গ্রহণ করবেন, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। বক্স অফিসে বর্তমানে সহিংসতানির্ভর সিনেমার সাফল্য নিয়েও নিজের আপত্তির কথা জানিয়েছেন রাধিকা। তার ভাষ্যে, এখন যে ধরনের সিনেমা বেশি চলছে, তার মধ্যে সহিংসতা অন্যতম। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে তিনি এমন সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন না।
রাধিকা বলেন, ‘আমি এর ঘোর বিরোধী। বিষয়টি আমার জন্য বেশ জটিল। আমি এ ধরনের সিনেমা দেখি না; আমার কাছে এগুলো অযৌক্তিক মনে হয়।’ সিনেমায় মারধরের দৃশ্য উপভোগ করার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। অভিনেত্রীর কথায়, পর্দায় ৫০ জন নারী বা পুরুষকে মারধর করা হচ্ছে, আর দর্শক পপকর্ন খেতে খেতে তা দেখছেন– এ বিষয়টি তার বোধগম্য নয়। এ কারণেই সহিংসতানির্ভর সিনেমায় কাজ করার বিষয়ে তার অনীহা রয়েছে।
২০২৪ সালে স্বামী বেনেডিক্ট টেলরের সঙ্গে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার পর নিজের অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে বলে জানান রাধিকা। এখন কাজের পাশাপাশি মেয়ের সঙ্গে যতটা সম্ভব সময় কাটাতে চান তিনি। একই সঙ্গে কর্মজীবনে দিনে ১২ ঘণ্টার কাজের সময়সীমা রাখাও তার অগ্রাধিকারের অংশ। এ ছাড়া লেখালেখিতে মনোযোগ দেওয়ার জন্য কিছু সময়ের বিরতি নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তার সাম্প্রতিক কাজের মধ্যে রয়েছে ‘লাস্ট স্টোরিজ ৩’, ‘মিসেস আন্ডারকভার’, ‘মনিকা, ও মাই ডার্লিং’। এসব কাজের কয়েকটি সরাসরি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে।
রাধিকা আপ্তেকে শিগগিরই ‘আক্কা’ সিরিজে দর্শকরা দেখতে পাবেন। এতে তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন কীর্তি সুরেশ। সিরিজটি আগামী ৩০ অক্টোবর নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাবে।
আরও পড়ুন
দুই দিনব্যাপী শিল্পকলায় ‘এনিমেল ফার্ম’
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রযোজনায় আগামী ২৬ ও ২৭ অক্টোবর, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হবে ‘এনিমেল ফার্ম’। নাটকটি নির্দেশনা দিয়েছেন নাট্যনির্দেশক, গবেষক ও শিক্ষক ড. সাইদুর রহমান লিপন। জর্জ অরওয়েলের মূল উপন্যাসের নাট্যরূপ দিয়েছেন নজরুল সৈয়দ।
১৯৪৫ সালে প্রকাশিত জর্জ অরওয়েলের ‘এনিমেল ফার্ম’ বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক রূপক উপন্যাস। রুশ বিপ্লব ও পরবর্তী সোভিয়েত শাসনব্যবস্থার রাজনৈতিক বাস্তবতা থেকে উৎসারিত হলেও উপন্যাসটির আবেদন দেশ-কালের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজনীন হয়ে উঠেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার, বিপ্লবের আদর্শচ্যুতি, রাজনৈতিক প্রতারণা, ইতিহাস বিকৃতি এবং সাধারণ মানুষের অধিকার হরণের যে চিত্র অরওয়েল তুলে ধরেছেন, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। উপন্যাসটির বহুল আলোচিত বক্তব্য: ‘সকল পশু সমান, তবে কেউ কেউ অধিকতর সমান’– নাটকের রাজনৈতিক তাৎপর্যকে আরও গভীর করে তোলে।
নাটকটির নির্দেশক ড. সাইদুর রহমান লিপন বলেন, ‘‘‘এনিমেল ফার্ম’ শুধু একটি পশুখামারের গল্প নয়; এটি আমাদের রাষ্ট্র, সমাজ ও ক্ষমতাকাঠামোর প্রতিচ্ছবি। ইতিহাসে আমরা দেখেছি, মানুষ বারবার মুক্তির স্বপ্ন নিয়ে বিপ্লব করেছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই ক্ষমতার পালাবদল ঘটলেও শোষণের কাঠামো বদলায়নি। জর্জ অরওয়েলের এই উপন্যাস আমাদের সেই বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করায়।’’
নাটকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের বিভিন্ন সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা অভিনয় করছেন। প্রযোজনাটির সহযোগী নির্দেশক ড. শামীম আহমেদ ও আব্দুর রাজ্জাক। সেট ও প্রপস পরিকল্পনায়– আব্দুর রাজ্জাক। পোশাক পরিকল্পনায় মহসিনা আক্তার, আলোক পরিকল্পনায় ধীমান চন্দ্র বর্মণ এবং সংগীত পরিকল্পনায় অসীম কুমার নট্ট। কোরিওগ্রাফিতে অমিত চৌধুরী ও হাসান ইশতিয়াক ইমরান। মুখোশ পরিকল্পনা ও নির্মাণে সোহায়েল রহমান উজান।
এর আগে ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট জুলাই পুনর্জাগরণ নাট্য উৎসবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হয়েছিল প্রযোজনাটি।
