দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব: ডিসি ফরিদা
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপদ চলাচল, স্বাধীন জীবনযাপন ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিশ্ব সাদা ছড়ি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা করুণার পাত্র নন; তারা সমাজের সমান অধিকার ও মর্যাদার অধিকারী নাগরিক। তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশের পাশাপাশি নিরাপদ চলাচল ও স্বনির্ভর জীবনযাপনের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে ২০০টি সাদা ছড়ি বিতরণ করা হয়।
‘আলোকিত ডিজএবল্ড স্বনির্ভর সোসাইটি’ ও ‘প্রগতি প্রতিবন্ধী মানবকল্যান সংস্থা’র প্রতিনিধিদের হাতে এসব সাদা ছড়ি তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় সংগঠন দুটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা কোনো মানুষের মেধা, যোগ্যতা, স্বপ্ন কিংবা সম্ভাবনার সীমা নির্ধারণ করতে পারে না। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনসংগ্রাম, সাহস ও আত্মবিশ্বাস সবার জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তাদের প্রতি শুধু দয়া বা অনুকম্পা নয়, ভালোবাসা, সম্মান ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন।
সাদা ছড়িকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাধীনভাবে চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে উল্লেখ করে ফরিদা খানম বলেন, এটি তাদের আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। তবে শুধু সাদা ছড়ি বিতরণের মধ্য দিয়ে দায়িত্ব শেষ হয় না। নিরাপদ ফুটপাত, বাধামুক্ত চলাচলের পথ, প্রতিবন্ধীবান্ধব গণপরিবহন এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সহজে সেবা পাওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি।
তিনি বলেন, রাস্তায় চলাচল, যানবাহনে ওঠানামা কিংবা সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন। তাদের প্রয়োজন ও মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারেন এবং মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন।
ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নাগরিক সেবা গ্রহণ সহজ করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ডিসি বলেন, সরকারি সেবা নিতে গিয়ে তারা যেন বৈষম্য, অবহেলা কিংবা অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির শিকার না হন, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের পক্ষ থেকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিহাব বলেন, আমরা চোখে দেখি না, সাদা ছড়ি আমাদের বন্ধুর মতো পথ দেখায়। এই সাদা ছড়ি আমাদের ঝুঁকিপূর্ণ পথচলাকে অনেক বেশি সহজ ও নিরাপদ করবে।
উল্লেখ্য, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপদ চলাচল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, তাদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর ১৫ অক্টোবর বিশ্ব সাদা ছড়ি নিরাপত্তা দিবস পালিত হয়।
তপন/অমিয়/
আরও পড়ুন
কৃষিকাজ ছেড়ে যাচ্ছেন শ্রমিকরা, লাভজনক করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২১ পিএম
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
-->দেশের কৃষি খাতকে লাভজনক করে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, কৃষিকাজ থেকে পর্যাপ্ত আয় না হওয়ায় অনেক শ্রমিক এ পেশা ছেড়ে অন্য কাজে যুক্ত হচ্ছেন। এতে কৃষিকাজের জন্য শ্রমিক পাওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে। এ সংকট কাটাতে কৃষিকে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক খাতে রূপান্তরের ওপর জোর দেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) পরিদর্শনকালে এক মতবিনিময় সভায় রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, কৃষকদের প্রণোদনা বৃদ্ধি এবং কৃষি গবেষকদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, ‘কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়লেও যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাবে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে কৃষিপণ্য সংরক্ষণ প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘উত্তরাঞ্চলে প্রচুর আলু উৎপাদিত হলেও ঐ অঞ্চলের কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পান না। অনেক সময় তারা আলু রাস্তায় ফেলে দিতে বাধ্য হন। অথচ পরবর্তী সময়ে বীজ আলুর দাম বেড়ে যায়। একইভাবে উৎপাদনস্থল থেকে ঢাকায় পৌঁছানোর পর আলুর দাম অনেক বেড়ে যায়। অন্যান্য সবজির ক্ষেত্রেও এ সমস্যা রয়েছে।’
তিনি বলেন, শুধু আলু নয়, টমেটোসহ অন্যান্য সবজি ও ফলমূল দীর্ঘদিন সংরক্ষণের উপযোগী কোল্ড স্টোরেজ এবং আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণ প্রয়োজন।’
এ সময় রাষ্ট্রপতি পেঁয়াজ উৎপাদনে গবেষকদের সাফল্যের ভূয়সী প্রসংশা করে বলেন, একসময় পেঁয়াজ আমদানিতে বিপুল অর্থ ব্যয় হতো। বর্তমানে আমদানির প্রয়োজন না হওয়ার বিষয়টি ইতিবাচক।
তিনি ফলের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
কৃষিজমিতে অতিমাত্রায় রাসায়নিক সার ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অতিরিক্ত সার মাটির ক্ষতি ও ফসলের গুণগত মান নষ্ট করছে। এ ক্ষেত্রে কৃষকদের সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি টেকসই কৃষিপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
কৃষি গবেষকদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃষি বিজ্ঞানীরা যথাযথ সুযোগ-সুবিধা না পেলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের এ পেশায় আকৃষ্ট করা কঠিন হবে। কৃষি বিজ্ঞানীদের পেনশন-সংক্রান্ত বিধিমালা পরিবর্তনের উদ্যোগ নিতে তিনি কৃষিমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কৃষি উন্নয়নে অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, খাল খনন কর্মসূচি ও উচ্চফলনশীল ধানের বীজ সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি দেশের কৃষিখাতে পরিবর্তন এনেছিলেন।
তিনি মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, কৃষিবিদ ও কৃষি বিজ্ঞানীদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করেন।
এ সময় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, গাজিপুর-২ এর সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল করিম রনি, মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সেলিম খান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল কাদির, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এর মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বারির মহাপরিচালক স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং বারির কার্যক্রম তুলে ধরেন।
এর আগে রাষ্ট্রপতি সকাল ১০টা ১৫ মিনিট নাগাদ বারি প্রাঙ্গণে পৌঁছালে বাংলাদেশ পুলিশের একটি সুসজ্জিত দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।
সবশেষে রাষ্ট্রপতি বারির জিন ব্যাংক ও বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। তিনি উদ্ভিদ কৌলিসম্পদ কেন্দ্র (পিজিআরসি) প্রাঙ্গণে বারি কাঁঠাল-৬ জাতের একটি চারা রোপণ করেন।
এসএন/
আরও পড়ুন
বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম
ছবি: পিএমও
-->দেশের পরিবেশ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ সময় তিনি পরিবেশ ও বন রক্ষায় জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরেও উদ্যোগী হওয়ারও আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের পরিবেশ ভালো রাখতে হলে সবাইকে দায়িত্বের বাইরে গিয়ে কিছুটা বেশি কাজ করতে হবে। পরিবর্তন চাইলে নিজের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু এসব কথা জানান।
তিনি জানান, সভায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের মাদার ট্রি চিহ্নিত করে সেগুলো সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
একই সঙ্গে গাছ লাগানোর পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করা, রোপণ করা চারা বেঁচে আছে কি না, তা নিজস্ব লোক পাঠিয়ে পর্যবেক্ষণ করা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বনায়ন বাড়ানোর উপায় বের করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের প্রকৃতির মাঝে যাওয়ার জায়গা কম। এ ধরনের জায়গা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি ছাদবাগান, স্কুলবাগানসহ বিভিন্ন ভবনে বাগান তৈরিতে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে।
সরকারপ্রধান বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে। মানুষ যত বেশি সচেতন হবে, কাজ তত সহজ হবে।
পরিবেশ ও বন রক্ষায় গৃহীত সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের পৃথক পরিকল্পনা রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক বছর ধরে ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় প্রথম বা দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসছে। এটি দেশের জন্য লজ্জার বিষয়। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনার যেটা ডিউটি, তার থেকে একটু বেশি কাজ করার সক্ষমতা আপনার রয়েছে।’
তিনি বলেন, দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ সবার কাছে আসে না। যারা আজ দায়িত্বশীল অবস্থানে রয়েছেন, তাদের সেই সুযোগ রয়েছে। শুধু নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করেই থেমে গেলে হবে না। দেশের মানুষের জন্য আরও কিছু করার চেষ্টা থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহতাআলা আমাদের একটা সুযোগ দিয়েছেন এই দেশের জন্য, এই দেশের মানুষের জন্য কিছুটা করার। আপনি নয়টা-পাঁচটা অফিস করতেই পারেন। এরপরে যদি আপনি কিছু না করেন, কেউ কিছু বলবে না। কিন্তু পরিবেশটা যদি খারাপ হয়ে যায়, ভবিষৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ, আপনার পরবর্তী প্রজন্ম তো দেশেই থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রী ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বলেন, ঠিকভাবে কাজ করতে পারলে এর সুফল দেশের সব মানুষ পাবে। সবাই এগিয়ে এলে দেশের মানুষের জন্য সম্মিলিতভাবে ভালো কিছু করা সম্ভব হবে।
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, অন্য মন্ত্রণালয়গুলো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম গাছ লাগালে সেই ঘাটতি পূরণে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে রোপণ করা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ, ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অমিয়/
আরও পড়ুন
একদিনে হাম উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম
খবরের কাগজ গ্রাফিকস।
-->দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৮১ জনে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে খুলনা বিভাগে ২ জন মারা গেছেন। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৩৯২ জন রোগী এসেছে।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৫৫৬ জন, রাজশাহীতে ২৩, সিলেটে ১৩০, চট্টগ্রামে ৩১০ জন, বরিশালে ১৪৩, ময়মনসিংহে ৯৩, খুলনায় ১১১, এবং রংপুরে ২৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৮৬ হাজার ৫৮৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৯৬ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৮৮৬ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৯২৬ জন।
এএফ/
আরও পড়ুন
হাতিরঝিলে গাড়ির ধাক্কায় আহত অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
প্রতীকী ছবি
-->রাজধানীর হাতিরঝিল থানার এফডিসি ব্রিজের উপর গাড়ির ধাক্কায় আহত অজ্ঞাত (৪০) এক ব্যক্তি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহতকে হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারী সোহেল জানান, আমরা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় এফডিসি ব্রিজের উপরে এই ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মৃত ব্যক্তির পরিচয় এখনো জানা যায়নি। প্রযুক্তির সহায়তায় তার নাম পরিচয় সনাক্তের চেষ্টা চলছে।
আজিজুল হাকিম/অমিয়/
