কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ পাঁচ পর্যটকের মধ্যে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন একজন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি সৈকত থেকে মোহাম্মদ হারুন নামে ওই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ কবিরের ছেলে।
এর আগে বুধবার বিকেলে হিমছড়ি এলাকার মারিনা রিসোর্টসংলগ্ন সৈকতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া অন্য তিনজন হলেন ঢাকার দিয়াবাড়ির রোহান (২৩) ও শহীদুল ইসলাম জিসান (২৩) এবং চট্টগ্রামের মোহাম্মদ আকাশ (২১)। নিখোঁজ রয়েছেন ঢাকার আজিমপুরের নাফিসুল হক নিবিড় (২২)।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান জানান, পর্যটকদের দুটি দল পেঁচারদ্বীপ জাদুঘরসংলগ্ন রেজু খাল পেরিয়ে সমুদ্র ও খালের মোহনায় জেগে ওঠা একটি বালুচরে বেড়াতে যায়। বিকেলে জোয়ারের পানি বাড়তে থাকলে বালুচরটি ধীরে ধীরে ডুবে যায়। একপর্যায়ে পর্যটকেরা পানিতে আটকা পড়েন।
স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজ চালিয়ে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করেন। তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জীবিত উদ্ধার হওয়া পর্যটকদের ভাষ্য, বুধবার দুপুরে কক্সবাজার পৌঁছে তাঁরা পেঁচারদ্বীপের একটি রিসোর্টে ওঠেন। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রেজু খাল পেরিয়ে বালুচরে যাওয়ার পর হঠাৎ জোয়ারের পানি বেড়ে তাঁরা বিপদে পড়েন।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, নিহত চারজনের মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।
