হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার হাজতখানায় থাকা ছাত্রলীগ নেতা শাহ তপুর ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের অভিযোগে তার সহযোগী শাহ জুয়েলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। একই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ডিউটি অফিসারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও থানা সূত্রে জানা যায়, বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামের শাহ ফিরোজ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা শাহ তপুকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে নবীগঞ্জ থানার হাজতখানায় রাখা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, শাহ তপুকে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে তার সহযোগী শাহ জুয়েল গোপনে থানায় প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে হাজতখানায় থাকা শাহ তপুর ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
পুলিশের দাবি, জব্দ করা মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিওসহ সংশ্লিষ্ট আলামত পাওয়া গেছে। পরে শাহ তপুর বিরুদ্ধে দায়ের করা একই মামলায় শাহ জুয়েলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন বলেন, থানার হাজতখানার মতো স্পর্শকাতর স্থানে অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণের বিষয়টি গুরুতর। এ ঘটনায় শাহ জুয়েলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট ডিউটি অফিসারের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
