চাঁদপুরের ইলিশ বিক্রির নামে অনলাইনে প্রতারণা, গ্রেপ্তার আরও ৩
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৯ পিএম
প্রতারণা চক্রের গ্রেপ্তার তিন সদস্য। ছবি: খবরের কাগজ
-->চাঁদপুরের ইলিশসহ বিভিন্ন পণ্য অনলাইনে বিক্রির নামে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সক্রিয় চক্রের আরও তিন সদস্যকে নড়াইল থেকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদপুরের পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে সিমকার্ডসহ আটটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এ নিয়ে চক্রটির মোট ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সজিবুর রহমান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. সুমন ভূঁইয়া, মো. সাইফুল ইসলাম মামুন ও অনিক অধিকারী। তাদের সবার বাড়ি নড়াইলের কালিয়া থানার চাঁচুড়ী ও পেড়লী ইউনিয়নে।
জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল জানায়, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের দিকনির্দেশনায় জেলা পুলিশের এলআইসি শাখা ও ডিবির একটি যৌথ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করে। পরে গত ১৪ ও ১৫ অক্টোবর কালিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ১৬ অক্টোবর অভিযান শেষে দলটি চাঁদপুরে ফিরে আসে। শনিবার গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্যমতে, চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে বিভিন্ন ভিডিও ও ছবি সংগ্রহ করে সম্পাদনার মাধ্যমে ভুয়া ফেসবুক পেজ ও হোয়াটসঅ্যাপ আইডি তৈরি করত। এসব পেজে ইলিশ মাছ, ফার্নিচার, কলম, জুতা, শিশুদের খেলনা ও মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ বিক্রির পাশাপাশি অনলাইন চাকরির আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দেওয়া হতো। ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে ভুয়া মন্তব্য, শর্ট রিল ও লোভনীয় অফারের বিজ্ঞাপন তৈরি করে সেগুলো বুস্টের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হতো।
ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য চক্রের সদস্যরা অন্যের নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড ব্যবহার করত। মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো ও অডিও কলের মাধ্যমে নাহিদ, জাবেদ, হাজী আব্দুল কাদের ও রফিকুলসহ বিভিন্ন ভুয়া পরিচয়ে নিজেদের ব্যবসায়ী হিসেবে উপস্থাপন করত তারা। প্রতারণাকে বিশ্বাসযোগ্য করতে ভুয়া ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহারের পাশাপাশি নকল ভাউচার ও ওয়েবসাইট তৈরি করা হতো। এভাবে ক্রেতাদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে পণ্য সরবরাহ না করে অর্থ আত্মসাৎ করত চক্রটি।
ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, এসব ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। এর আগে একই ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সর্বশেষ তিনজন গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৯জন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।
পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, মামলাগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অনলাইনভিত্তিক প্রতারণা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ফয়েজ/এএফ
আরও পড়ুন
ঝিনাইদহে বড় ভাইয়ের কোদালের আঘাতে ছোট ভাই নিহত
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৮ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ভাবির সঙ্গে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে বড় ভাইয়ের কোদালের আঘাতে সোহান মণ্ডল (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার সাগান্না ইউনিয়নের বকশি-চাঁদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বড় ভাই সুমন মণ্ডল (৩০) পলাতক রয়েছেন।
নিহত সোহান মণ্ডল ওই গ্রামের ইজাল মণ্ডলের ছেলে। অভিযুক্ত সুমন মণ্ডল তার আপন বড় ভাই।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে বিকেলে সুমন মণ্ডলের সঙ্গে সোহানের স্ত্রীর ঝগড়া হয়। এ ঘটনার জের ধরে পরে ছোট ভাই সোহানের সঙ্গে বড় ভাই সুমনের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সুমন পাশে থাকা কোদাল দিয়ে সোহানের মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোহানের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলে সুমন পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় সোহানকে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত সুমন মণ্ডলকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মাহফুজুর রহমান/নাঈম
আরও পড়ুন
সোনারগাঁ দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে ভারতীয় উপ-হাইকমিশনার
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১০ পিএম
উপ-হাইকমিশনারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন পানামা গ্রুপের চেয়ারম্যান অমল পোদ্দার। ছবি: খবরের কাগজ
-->নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় দুর্গাপূজা মণ্ডপে সপ্তমী পূজার অঞ্জলি অনুষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের উপ-হাইকমিশনার শ্রী পবন কুমার বাধে। পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের পঞ্চমীঘাট পোদ্দার বাড়ি শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পঞ্চমীঘাট পোদ্দার বাড়ি পূজা মণ্ডপের অমল পোদ্দার (সিআইপি), সভাপতি প্রদীপ পোদ্দার, সেক্রেটারি বাদল পোদ্দার এবং পানামা গ্রুপের সিনিয়র জিএম আতিকুল ইসলামসহ অনেকে।
এ বিষয়ে পঞ্চমীঘাট পোদ্দার বাড়ি শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা মণ্ডপের সভাপতি প্রদীপ পোদ্দার বলেন, ‘হাইকমিশনার মহোদয় আমাদের মণ্ডপ পরিদর্শনে এসেছেন, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। তবে এটি তার ব্যক্তিগত নাকি সরকারি কোনো সফর, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।’
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, ‘উপ-হাইকমিশনারের আগমনের পূর্বমুহূর্ত থেকেই পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পূজা মণ্ডপের আশপাশে অবস্থান নেন এবং তার নিরাপত্তায় বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।’
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত বলেন, ‘উপ-হাইকমিশনার মহোদয় তার পরিবারবর্গ নিয়ে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে পূজা মণ্ডপটি পরিদর্শন করেছেন। এটি কোনো সরকারি বা আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ছিল না।
মো.ইমরান/এএফ
আরও পড়ুন
ইনানীর রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে কমিটি, ৫ কার্যদিবসে প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতসংলগ্ন ‘টুপটুপ’ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) তাসনীম জাহানকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, তদন্ত কমিটিতে ফায়ার সার্ভিস, উখিয়া উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের প্রতিনিধিরা থাকবেন। অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত, আগুন ছড়িয়ে পড়ার কারণ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হবে।
শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন কাঠের তৈরি রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। বাকি মরদেহগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডে আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিমানযোগে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজারের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসেন বলেন, অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি ছিল কি না, তা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
তারেকুর রহমান/এসএন
আরও পড়ুন
দ্রুত 'উত্তর সাতকানিয়া উপজেলা' বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘উত্তর সাতকানিয়া উপজেলা’ গঠনের দাবিতে সমাবেশ করেছেন সর্বস্তরের জনসাধারণ।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কেরানীহাট চত্বরে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমেদ।
সমাবেশে বাজালিয়া, পুরানগড়, ধর্মপুর, কালিয়াইশ, কেঁওচিয়া ও খাগরিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমেদ বলেন, উত্তর সাতকানিয়া উপজেলা গঠনের দাবি দীর্ঘদিনের। সরকার ইতোমধ্যে উত্তর সাতকানিয়া উপজেলা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছেন। এটি এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। ৬টি ইউনিয়নের মানুষের প্রশাসনিক সেবা সহজ করা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাব। উত্তর সাতকানিয়ার মানুষের এ অর্জন ধরে রাখতে আপনাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমার নাম ব্যবহার করে কেউ যদি চাঁদাবাজি করে, মানুষের ওপর জুলুম করে কিংবা সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে, তাহলে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমার নাম ভাঙিয়ে কেউ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করলে, ব্যবসায়ী বা পরিবহন শ্রমিকদের ভয়ভীতি দেখালে কিংবা নিরীহ মানুষের ওপর প্রভাব খাটালে তাকে ধরে গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখবেন। আমি রাজনীতি করি মানুষের সেবা করার জন্য, মানুষের ওপর জুলুম করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য নয়।
সাতকানিয়ার ৬টি ইউনিয়ন ও দোহাজারী পৌরসভা নিয়ে 'দোহাজারী সাঙ্গু উপজেলা' বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসা দোহাজারীবাসীর উদ্দেশে সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমেদ বলেন, দোহাজারী পৌরসভাকে প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত করা হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। কোনো অপপ্রচার বা উসকানিতে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। বটবাহিনী ও গুপ্তবাহিনীর প্ররোচনা থেকে সতর্ক থাকতে হবে। দোহাজারীর উন্নয়ন ও জনস্বার্থে সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরিফুল ইসলাম/নাঈম
