দশেরার পরে রাজধানী দিল্লিতে দূষণের মাত্রা লাফিয়ে বেড়েছে। যাকে ঘিরে বেড়েছে উদ্বেগও। এই পরিস্থিতিতে এবার জানা গেল, দিল্লি তো বটেই, বিশ্বের সব শহরকে টেক্কা দিয়েছে লাহোর। পাকিস্তানের শহরটি এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, শুক্রবার লাহোরের একিউআই পৌঁছেছে ৪১০-এ। একিউআই হল বায়ুদূষণ পরিমাপের একক। ৩০০-র বেশি সেই মান পৌঁছে গেলেই তা হয়ে ওঠে ‘বিপজ্জনক’। ফলে লাহোরের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ, সহজেই অনুমেয়। তবে লাহোরের এহেন পরিস্থিতি নতুন নয়। বিশেষ করে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে, লাহোর-সহ পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় ধোঁয়াশা দেখা যায়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বায়ুদূষণ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে সেখানে, যা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই বিশেষজ্ঞরা এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলেছেন। বাইরে বেরলে মুখে মাস্ক ও ঘরের ভিতরে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দশেরার পর আশঙ্কামতোই ধোঁয়াশায় মুখ ডুবিয়েছে দিল্লিও। রাজধানীর বাতাসে দূষিত কণার পরিমাণ গত পাঁচ বছর দশেরা-পরবর্তী সময়কালের নিরিখে সবচেয়ে বেশি। প্রবল নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দিল্লির একাংশে যথারীতি চুটিয়ে বাজি ফাটিয়েছেন বাসিন্দারা। তবে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নয় এই পরিস্থিতি ক’দিন থাকবে। সামনেই দিওয়ালি। সেই সময় নতুন করে দিল্লিবাসীকে আরও বড় দূষণের মুখোমুখি হতে হয় কিনা তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আতশবাজি পোড়ানোর সময় পিএম২.৫ বৃদ্ধির জন্য দায়ী বিষাক্ত উপাদানগুলির মাত্রা আচমকাই হু হু করে বাড়তে থাকে। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এই দূষণ কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে!
