সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ বলেছেন, পূজা নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে প্রশাসনের নজরদারি থাকবে। পাশাপাশি প্রতিটি মণ্ডপে বিএনপির ৫ জন করে নেতাকর্মী স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করবেন।
একইসঙ্গে তিনি নিজেসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা সার্বক্ষণিক নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করতে কাজ করবেন বলেও জানান কয়ছর আহমদ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকালে শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাংসদ কয়ছর বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের প্রতি কৃতজ্ঞতাস্বরুপ এ বছর পূজার ছুটি এবং অনুদান বরাদ্দ বাড়িয়েছেন। এবছর অর্থনৈতিকভাবে অস্বচ্ছল পূজা মণ্ডপেও অনুদান দেওয়া হচ্ছে। যা বিগত সময়ে ছিল না।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক, সম্প্রীতির দেশ। এখানে সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে। বিএনপি সরকার সেই স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কয়ছর বলেন, ‘গত রোববার প্রধানমন্ত্রী সরকারদলীয় সংসদীয় কমিটির একটি মিটিং ডেকেছিলেন। সেখানে আমরা উপস্থিত ছিলাম। দীর্ঘ ৩ ঘন্টার ওই মিটিংয়ে পূজার বিষয়টিও আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন-সংসদ নির্বাচনে বিগত যেকোনো সময়ের চেয়ে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের প্রায় সবগুলো ভোট আমরা পেয়েছি। তাই তিনি উপস্থিত সকল এমপি-মন্ত্রীদের নির্দেশনা দিয়েছেন দূর্গাপূজার সময়ে সবাই যেন নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় যান এবং পূজা সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপনে সব ধরনের সহযোগিতা করেন ‘
শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল চাকমার সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনছার উদ্দিন, ফারুক আহমদ, উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক রঞ্জিত সূত্রধর, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ঝন্টু তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক সুরঞ্জিত চৌধুরী টপ্পা প্রমুখ।
সভা শেষে উপজেলার ২২টি পূজা মণ্ডবের দায়িত্বশীলদের হাতে বরাদ্দকৃত অনুদান তুলে দেন সংসদ সদস্য কয়ছর আহমদসহ অন্যান্য অতিথিরা।
গুগলে আমাদের খবর পেতে
