২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে, লামিনে ইয়ামাল ও লিওনেল মেসির মতো তারকাদের পেছনে ফেলে পিএসজি উইঙ্গার খভিচা কাভারাতস্খেলিয়াকে এগিয়ে রাখছেন ইতালির বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফ্যাবিও কানাভারো। তার মতে, গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে জর্জিয়ান এই ফুটবলারের অসাধারণ পারফরম্যান্সই তাকে বিশ্বের সেরা ব্যক্তিগত পুরস্কারের যোগ্য দাবিদার করে তুলেছে। খবর গোল ডটকমের।
কানাভারোর বিশ্বাস, ইউরোপীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায় চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির হয়ে কাভারাতস্খেলিয়ার দাপট অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে তাকে এগিয়ে রেখেছে। গত মৌসুমে পিএসজির হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন এই জর্জিয়ান উইঙ্গার; বিশেষ করে চ্যাম্পিয়নস লিগে তার নৈপুণ্য ফুটবলপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। কানাভারোর মতে, শুধু সাম্প্রতিক আলোচিত ঘটনা কিংবা বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স বিবেচনায় না নিয়ে পুরো মৌসুমের অবদান মূল্যায়ন করা উচিত।
আগামী ২৬ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ীর নাম। পুরস্কার ঘিরে আলোচনা যখন তুঙ্গে, তখন নিজের পছন্দের বিষয়ে কোনো সংশয় রাখেননি ২০০৬ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই কিংবদন্তি।
ইতালির সংবাদমাধ্যম গাজেত্তা দেলো স্পোর্তকে কানাভারো বলেন, ‘আমার স্মৃতিশক্তি ভালো। আমি শুধু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর দিকে তাকাই না। গত মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগে ফুটবলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কাভারাতস্খেলিয়াই ছিলেন সবচেয়ে দাপুটে খেলোয়াড়। আমাকে যদি একজনকে বেছে নিতে হয়, তাহলে আমার কোনো সংশয় থাকবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে বিশ্বকাপকে মানদ- হিসেবে বিবেচনা করতে পারেন, এমবাপ্পের কথা ভাবতে পারেন কিংবা মেসির ক্যারিয়ারকে গুরুত্ব দিতে পারেন। কিন্তু কাভা অসাধারণ কিছু করেছে।’
২০২৫-২৬ মৌসুমে পিএসজির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৮ ম্যাচে ১৯ গোল করার পাশাপাশি ১১টি অ্যাসিস্ট করেছেন কাভারাতস্খেলিয়া। গোল ও সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর এই পরিসংখ্যান তার আক্রমণাত্মক অবদানেরই প্রমাণ। এর আগে নাপোলির হয়েও নিজের সামর্থ্যরে স্বাক্ষর রেখেছেন ২৫ বছর বয়সি এই উইঙ্গার। ইতালিয়ান ক্লাবটির হয়ে ১০৭ ম্যাচে তার গোল ৩০, সঙ্গে রয়েছে ২০টি অ্যাসিস্ট। নাপোলির সিরি ‘আ’ শিরোপা জয়ের অভিযানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
নিজের ব্যালন ডি’অর জয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে কানাভারোর। ২০০৬ সালে ইতালির বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক হিসেবে এই পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি। তাই ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে কী ধরনের পারফরম্যান্স গুরুত্বপূর্ণ, সে বিষয়ে তার মূল্যায়ন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।