আজকাল ওয়েবডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার ত্রাতা হয়ে উঠলেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মঙ্গলবার তাঁর দুরন্ত ১৭৯ রানের ইনিংসের উপর ভর করে প্রথম ইনিংসে রানের পাহাড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।
৩৩৪ বলে ১৭৯ রান করে দলকে কঠিন পরিস্থিতি থেকে বের করে এনে ম্যাচে লড়াই করার জায়গায় পৌঁছে দেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। আর এই ইনিংসের পর নিজের ব্যাটিংয়ের ধরন নিয়ে মুখ খুললেন বাভুমা।
জানালেন, ছোটবেলা থেকেই তাঁর আদর্শ সচিন তেন্ডুলকর। ভারতীয় কিংবদন্তির ব্যাটিং কৌশল অনুকরণ করার চেষ্টা করেন তিনি। সম্প্রচারকারী সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাভুমা জানান, সচিনের মতো ব্যাটিং করার কৌশল রপ্ত করার চেষ্টা করেন তিনি।
তবে শারীরিক গঠনের কারণে বড় বড় পা ফেলে এগিয়ে যাওয়া তাঁর পক্ষে কঠিন। তাই ব্যাটিংয়ের সময় পায়ের মুভমেন্ট বা নড়াচড়া যতটা সম্ভব কার্যকর রাখার উপর জোর দেন তিনি।
বাভুমার কথায়, ‘আমি সচিন তেন্ডুলকরের ব্যাটিং কৌশল অনুকরণ করার চেষ্টা করি। আমি খুব বড়সড় চেহারার নই, তাই খুব বড় পা ফেলে এগিয়ে যাওয়াও আমার পক্ষে সম্ভব নয়। সেই কারণে নড়াচড়া যতটা সম্ভব কার্যকর রাখার চেষ্টা করি। কখনও কখনও এই কৌশল আমাকে সমস্যাতেও ফেলে। তবে সাধারণত এটাই আমার ক্ষেত্রে ভাল কাজ করে। বল যতটা সম্ভব শরীরের কাছাকাছি রেখে খেলার চেষ্টা করি।’
দ্বিতীয় টেস্টের শুরুতেই চাপে পড়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম তিন ব্যাটার মিলে মাত্র ১৭ রান করেন। শুরুতেই চাপে পড়ে যায় দল। সেই পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নেমে একদিকে উইকেট সামলে রান তোলার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক।
নিজের ইনিংস সম্পর্কে বাভুমা বলেন, ‘নিশ্চিতভাবেই এটি আমার অন্যতম ভাল ইনিংস। ম্যাচের পরিস্থিতি এবং ব্যক্তিগত দিক থেকেও এই ইনিংসটি গুরুত্বপূর্ণ। এর আগেও অনেকবার আমাকে শুরুতেই ব্যাট করতে নেমে কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে হয়েছে। তখন কোনও রকমে ৫০ বা ৬০ রান করার চেষ্টা করতাম। তবে এ বার সেই রানকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পেরেছি এবং ইনিংসটিকে কাজে লাগাতে পেরেছি, এটাই সবচেয়ে ভাল লাগার বিষয়।’
https://youtu.be/JwFdq_tA9cE?si=3QkNYyh3xTaQ6cYQ
তবে শুধু বাভুমার ব্যাটেই যে দক্ষিণ আফ্রিকা লড়াইয়ে ফিরেছে, তা নয়। পরবর্তী সময়ে মার্কো জানসেন ৮৫ রান এবং সাইমন হারমার ৮২ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাঁদের ব্যাটিংয়ে ভর করেই প্রথম ইনিংসে বড় রান তুলতে সক্ষম হয় প্রোটিয়ারা।
