মালদহে বিজেপি কর্মী সমীর ঘোষকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগে পুলিশের জালে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল নেতা। ধৃত ব্যক্তির নাম রঞ্জন ঘোষ। ঘটনার পরেই আটজনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। অভিযুক্তদের খোঁজে শুরু হয় তল্লাশি। সেই সময় ঘটনায় যুক্ত সন্দেহে রঞ্জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সূত্রের খবর, বর্তমানে মালদহ মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন তিনি। সুস্থ হলে তাঁকে আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে মালদহের পুলিশ সুপার অনুপম সিং জানিয়েছেন, অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।
বিজেপি জেলা সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় জানান, নিহত যুবক বিজেপি কর্মী। বিধানসভা ভোটের আগে তাঁকে ওই এলাকায় বুথ দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কেন এই ঘটনা তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।
বুধবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের ইংরেজবাজার থানার রামকেলি এলাকায়। অভিযোগ, এলাকার মানুষজন যখন প্রতিমা বিসর্জনে ব্যস্ত সেই সময় সমীরের বাড়িতে বেশ কয়েকজন ঢুকে পড়ে। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁর উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এমনকী সমীরকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ। মৃতের ভাই বিবেক ঘোষ জানিয়েছেন, তাঁর দাদা অনেকদিন ধরেই বিজেপির কর্মী ছিলেন। অভিযুক্তরা তৃণমূলের কর্মী বলে দাবি করেন তিনি। বিবেকের কথায়, সমীরের সঙ্গে এলাকার তৃণমূলকর্মীদের দীর্ঘদিনের বিবাদ ছিল। তার জেরেই দশমীর দিন তাঁর দাদার উপর হামলা চালানো হয়।
ঘটনার পরেই পরিবারের তরফে আটজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে শুরু হয় তল্লাশি। জানা যায়, সেই সময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রঞ্জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিকে ঘটনার পরেই সমীরের বাড়িতে পৌঁছান স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দেন। পরে বিজেপি জেলা সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় জানান, নিহত যুবক বিজেপি কর্মী। বিধানসভা ভোটের আগে তাঁকে ওই এলাকায় বুথ দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কেন এই ঘটনা তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।
