পাইলট প্রশিক্ষণের জন্য আকাশে উড়েছিল বিমান দুটি। নিচু দিয়ে উড়ে চলার সময় হঠাৎ একটির সঙ্গে অন্যটির সংঘর্ষ হয়। এরপর প্লেন দুটি ভেঙে পড়ে মাটিতে। গত শুক্রবার বিকেলে রাজধানী ম্যানিলার দক্ষিণে একটি বিমানঘাঁটিতে এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ফিলিপাইনের বিমানবাহিনীর চার পাইলট। গতকাল শনিবার ফিলিপাইনের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। তারা বলেন, রাজধানী ম্যানিলার দক্ষিণে উপকূলীয় বাতাঙ্গাস প্রদেশের লিপা শহরে অবস্থিত ফার্নান্দো বিমানঘাঁটিতে প্লেন দুটি ভেঙে পড়ে। তবে প্লেন দুটি ভেঙে পড়ার ঘটনায় মাটিতে থাকা কেউ হতাহত হননি। প্লেন দুটি ছিল দুই আসনের এসএফ-২৬০ মডেলের। গত শুক্রবার নিচু দিয়ে উড়ে প্রশিক্ষণ চালানোর সময় প্লেন দুটির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তবে কী কারণে এ সংঘর্ষ ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি ফিলিপাইনের বিমানবাহিনী। এদিকে, দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে বিমানবাহিনী। দুর্ঘটনাটিকে আপাতত অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে তারা।
ফিলিপাইনের দুই কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) জানান, আকাশে উড়ন্ত অবস্থায় প্লেন দুটির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। তবে প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কথা বলার অনুমতি না থাকায় তারা নিজেদের নাম প্রকাশ করেননি। প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি বার্তা সংস্থা এপিকে জানান, প্লেন দুটির একটি বিমানঘাঁটিতে সামরিক সদস্যদের ব্যারাকের কাছে ভেঙে পড়ে। এদিকে, দুর্ঘটনার পর তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিমানবাহিনীর বাকি এসএফ-২৬০ মডেলের প্লেনগুলোর উড্ডয়ন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ইতালি থেকে কেনা এ মডেলের কতটি প্লেন এখনো বিমানবাহিনীর বহরে রয়েছে, তা জানায়নি কর্তৃপক্ষ। এ দুর্ঘটনা অর্থসংকটে থাকা ফিলিপাইনের সামরিক বাহিনীর দুর্বলতা আরও স্পষ্ট করেছে। দীর্ঘদিন ধরে অর্থের অভাবে দেশটির বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ব্যাহত হচ্ছে।