Published on
:
2 min read
এই সময়, নয়াদিল্লি: ‘আপনারা তো শিক্ষিত, তার পরেও জেনেশুনে কেন ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা লঙ্ঘন করছেন বার বার?’ ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)–এর নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কার কাছে নাকি এই প্রশ্নই করেছে দিল্লি পুলিশ৷ শুক্রবার দিল্লির মন্দির মার্গ থানায় দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্র্যাঞ্চের আধিকারিকদের সামনে হাজিরা দেন আশুতোষ এবং সৌরভ৷ সূত্রের দাবি, সেখানেই সিজেপি নেতাদের থেকে একগুচ্ছ প্রশ্নের উত্তর জানতে চেয়েছেন দিল্লি পুলিশের তদন্তকারীরা৷ সিজেপি নেতাদের আগামী পরিকল্পনা তথ্যও জানতে চাওয়া হয়েছে৷
সূত্রের দাবি, সিজেপি আন্দোলনের অর্থের জোগান কোথা থেকে আসছে, এর উত্তরও চাওয়া হয়েছে ক্রাইম ব্রাঞ্চের তরফে৷ সূত্রের খবর, দিল্লি পুলিশের সব প্রশ্নের উত্তর দেননি আশুতোষ এবং সৌরভ। তবে তাঁরা দাবি করেছেন, স্বাধীন দেশে পতাকা উত্তোলনের অধিকার প্রত্যেক ভারতবাসীর মতো তাঁদেরও আছে৷ কনৌট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা উত্তোলন কর্মসূচির ডাক দিয়েও তাঁরা কোনও অন্যায় করেননি বলেই দাবি সিজেপি নেতাদের।
প্রসঙ্গত, ১৬ অক্টোবর মান্ডি হাউসের কাছে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য বাম ছাত্র সংগঠন (আইসা)–এর নেত্রী নেহা বোরাকেও নোটিস ধরানো হয়েছিল। দিল্লি পুলিশ নেহাকে ১০,০০০ টাকার পার্সোনাল বন্ড জমা দিয়ে শান্তি বজায় রাখার অঙ্গীকারপত্রে স্বাক্ষর করতে বলেছিল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নেহা। শুক্রবার নেহার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট।
এ দিকে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শুক্রবারও দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখানো হয়৷ বাম সমর্থিত বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের তরফে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে নরেন্দ্র মোদীর সরকারকে নিশানা করেন বাম নেত্রী বৃন্দা কারাট৷ তাঁর বক্তব্য, ‘এ বার রাজধানী দিল্লি–সহ দেশের সব রাস্তাই যন্তর মন্তরে রূপান্তরিত হবে৷ সব জায়গাতেই আমরা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাব৷’ এ দিন বিক্ষোভকারীরা দিল্লির গোল ডাকখানার সামনে জমায়েত করে নির্বাচন কমিশনের দিকে এগোতে শুরু করেন৷ তবে দিল্লি পুলিশ তাঁদের পথ আটকায়৷ পরে পুলিশ সূত্রের দাবি, বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে শতাধিক লোককে আটক করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷
