এনসিপির শীর্ষ পদে ছাগল চোর, নারী ও অর্থ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতরা আসীন হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। এছাড়া নবগঠিত কাউন্সিলবিহীন কমিটিতে যারা জামায়াতের আদর্শকে বিশ্বাস করে তাদেরকে সামনের দিকে এবং যারা জামায়াত বিরোধী, স্বতন্ত্র তাদেরকে নিচের দিকে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।।
রাশেদ খান বলেন, “নতুন বন্দোবস্তের কথা বলে কাউন্সিলবিহীন একটি কমিটি গঠন করলেন আপনারা। দেখি বিভিন্ন সময় টকশোতে বিএনপিকে খোঁচা মেরে কথা বলেন। কিন্তু বিএনপি তো জাতীয়তাবাদের আদর্শকে ধারণ করে রাজনীতি করে তবে আপনারা আসলে কোন আদর্শকে ধারণ করে রাজনীতি করেন। আমার মনে হয় এনসিপির এই মুহূর্তে কোন আদর্শ নেই।“
তিনি আরও বলেন, “এনসিপির শীর্ষ পদে আসীন হয়েছেন ছাগল চোর ল্যাপটপ চোর, যারা নারী এবং অর্থ কেলেঙ্কারী সাথে জড়িত। যারা নৈতিকতাকে ধারণ করে তাদেরকে কিছু বাদ দেওয়া হয়েছে কিছু পিছনের সারিতে রাখা হয়েছে। মূলত জামায়াতের অনুমোদন নিয়েই এই কমিটি প্রকাশ পেয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, “যে দলে জামায়াতের অনুমোদন নিয়ে কমিটি গঠন করতে হয় সেই দল আসে এনসিপি নামে না থাকাই ভালো। নাহিদ ইসলামদের এখন উচিত হবে দলের যত নেতাকর্মী আছে তাদেরকে নিয়ে একসাথে জামায়াতে যোগ দেওয়া। যারা দেশবিরোধী শক্তি দেশের স্বাধীনতা চাইনি, দেশের পতাকাকে বিশ্বাস করে না এদের সাথে হাত মিলিয়ে এনসিপি এক ধরনের দেশ বিরোধী চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।”
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলাম যে জান্নাতের পথ দেখায় সেটা দাজ্জালের জান্নাত। কেয়ামতের আগে দাজ্জালও মানুষকে এভাবে জান্নাতের পথ দেখানোর নামে মুনাফিকি করবে। জামায়াতে ইসলাম ঠিক এভাবেই মানুষের সাথে মুনাফিকি করছে।“
শুক্রবার (২৩ অক্টোবার) বিকালে ঝিনাইদহ শহরের কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে চরমুরারিদহ ইউথ ক্লাব আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খান এসব কথা বলেন। সে সময় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সদর থানা বিএনপির সভাপতি মুন্সী কামাল আজাদ পান্নু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস সহ বিএনপি ছাত্রদল এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ও নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
খেলায় চরমুরারিদহ কিংস ৩ গোল দিয়ে বিজয়ী হয় এবং চরমুরারীদহ ওয়ারিয়র্স ১ গোল দিয়ে রানারআপ হয়। খেলা শেষে প্রধান অতিথি সহ অন্যান্যরা বিজয়ী ও রানারআপ দলের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন।
সম্রাট হোসেন/এমটিআই
