এমপিদের প্রশিক্ষণ ও ই-পার্লামেন্ট চালুতে সহযোগিতা দেবে ইউএনডিপি
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৮ পিএম
আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৮ পিএম
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকস। ছবি: সংগৃহীত
-->জাতীয় সংসদ সদস্যদের (এমপি) প্রশিক্ষণ, সংসদীয় কমিটির কার্যক্রম, লিঙ্গসমতা নীতি বাস্তবায়ন ও ই-পার্লামেন্ট চালুর ক্ষেত্রে সহযোগিতা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। অন্যদিকে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সংস্থাটির সহযোগিতা চেয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকস।
বৈঠকগুলোতে সংসদীয় কার্যক্রমের উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক সংস্কার ও রোহিঙ্গাসংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন
বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে ইউএনডিপি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। সংসদের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গার দীর্ঘমেয়াদি অবস্থানের কারণে দেশের অর্থনীতি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর চাপ বাড়ছে।’ এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে ইউএনডিপির সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
আরও পড়ুন
জবাবে স্টিফেন রড্রিকস বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ইউএনডিপির সম্পর্ক আরও বিকশিত হয়েছে। নতুন সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও পরিচিতিমূলক কর্মসূচি আয়োজন, সংসদীয় কমিটিগুলোকে সহায়তা, লিঙ্গসমতা নীতি বাস্তবায়ন এবং ই-পার্লামেন্ট চালুর ক্ষেত্রে সংস্থাটি সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।’
অন্যদিকে, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠকে সংসদীয় গণতন্ত্র সুসংহত করতে আমলাতান্ত্রিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে। এ সময় সরকারি নিয়োগে দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধের মূল্যায়ন এবং সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশিক্ষণপদ্ধতি উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ দেওয়া হয়।
বৈঠকগুলোতে মানবাধিকার পরিস্থিতি, নারী সংসদ সদস্যদের কার্যক্রম, জ্বালানি ইস্যু এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার নিয়েও আলোচনা হয়।
এলিস/সালমান/
আরও পড়ুন
স্কুল-কলেজে বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের সুপারিশ
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->দেশের স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে উদ্ভাবনী শক্তি জাগ্রত করার লক্ষ্যে এ সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি নতুন উদ্ভাবন এবং তা বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে এই কমিটির প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। সভায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামসহ কমিটির সদস্যরা অংশ নেন।
শুরুতে মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কমিটির সদস্যদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।
আরও পড়ুন
বৈঠকের শুরুতে সভাপতি স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদ এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত শহিদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। সভায় কমিটির সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, মো. আনোয়ারুল ইসলাম, মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, কে এম বাবর, সানসিলা জেবরিন, সালাহ উদ্দিন, মারদিয়া মমতাজ ও মো. আব্দুল গফুর উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন।
আরও পড়ুন
এলিস/এএফ
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৩ অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তির সাক্ষাৎ
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->নিজ নিজ কর্ম ও উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা তিনজন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বুয়েট থেকে পড়াশোনা শেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা বেছে নেওয়া নায়লা শারাফ, দুই হাত না থাকলেও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা মো. আলতাফ হোসেন এবং নিজ উদ্যোগে হাজার হাজার গাছ লাগানো রেজাউল কিবরিয়া বাবুল।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তারা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের জীবনসংগ্রাম, ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ও সমাজের কল্যাণে পরিচালিত কার্যক্রমের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তাদের কাজের প্রশংসা করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
আরও পড়ুন
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন। আপনাদের মতো সবাই এগিয়ে এলে দেশ গঠন সহজ হবে।’
সাক্ষাৎকালে নায়লা শারাফের ব্যতিক্রমী পেশা নির্বাচনের বিষয়টি উঠে আসে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পড়ালেখা শেষ করে তিনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন। পরে জনতা ব্যাংকেও কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েও সরকারি চাকরিতে যোগ না দিয়ে শিশুদের শিক্ষাদানের পথ বেছে নেন তিনি। গত ৭ বছর ধরে নেত্রকোনার পাঁচআননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন নায়লা। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠদান সহজ করতে নিজেই তৈরি করেন শিক্ষা উপকরণ ও ডিজিটাল কনটেন্ট।
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা আরেক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি নরসিংদীর মো. আলতাফ হোসেন। জন্ম থেকেই তার দুই হাত নেই। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। পা দিয়ে লেখালেখি শিখে তিনি ২০০৭ সালে নরসিংদীর পাঁচদোনায় প্রতিষ্ঠা করেন প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল। নিজের সঞ্চয় ও পৈতৃক জমি বিক্রির অর্থ দিয়ে গড়ে তোলা বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৪৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। শিক্ষক রয়েছেন ১০ জন। পা দিয়েই তিনি লেখালেখি ও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী তার কথা শুনে নতুন স্কুল ভবন নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
অন্যদিকে, ভোলার চরফ্যাশনের রেজাউল কিবরিয়া বাবুল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় তিন দশক ধরে নিজের অর্থ ও শ্রম দিয়ে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছ লাগিয়েছেন তিনি। পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে নার্সারি গড়ে তোলার পর সেখান থেকে উৎপাদিত চারা বিভিন্ন এলাকায় রোপণ শুরু করেন। তার লাগানো অনেক গাছ এখন বড় হয়ে পথচারীদের ছায়া দিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রত্যেকের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘সমাজ ও দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদেরও ভালো কাজে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে উৎসাহ দেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মোহাম্মদ আলী/সালমান/
আরও পড়ুন
জলবায়ু পরিবর্তন ও বাস্তুচ্যুতি মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে সংসদীয় ককাস
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সমস্যা সমাধানে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে সংসদীয় ককাস। তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও ভূমিকা রাখবে এ ককাস।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) ৩০ বছর পূর্তি ও ‘সোনার মানুষ সম্মিলন ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এসব কথা বলেন।
‘ইন্ট্রোডিউসিং দ্য পার্লামেন্টারি ককাস অন ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডিসপ্লেসমেন্ট’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বর্তমান সংসদ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবিলায় সংসদীয় ককাসের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত এ ককাস সম্মিলিতভাবে কাজ করবে।
আরও পড়ুন
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ককাসের মাধ্যমে সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সমস্যা চিহ্নিতকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সুপারিশ এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য খুব সামান্য দায়ী হলেও এর বিরূপ প্রভাবের শিকার হচ্ছে বেশি। বাস্তুচ্যুত মানুষের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন
ককাসের চেয়ারপারসন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, জনগণের সমস্যা সমাধান ও দুর্যোগ থেকে সুরক্ষায় সংসদের ভেতরে-বাইরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবদান রাখার চেষ্টা করবেন তারা।
অনুষ্ঠানে রামরুর নির্বাহী পরিচালক ড. তাসনিম সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, আবুল হোসেন খান, মো. আনোয়ারুল হক ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক উপস্থিত ছিলেন। দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, গবেষক, উন্নয়ন সংস্থা, দূতাবাস, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এলিস/এএফ
আরও পড়ুন
ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯২০
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৫ পিএম
খবরের কাগজ গ্রাফিকস
-->দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯২০ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২১ জনে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ডেঙ্গুতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) এবং রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন করে তিনজন মারা গেছেন।
আরও পড়ুন
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪১৩ জন ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে) বাসিন্দা। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫৬ জন, খুলনা বিভাগে ২৫৪ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৪১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
একই সময়ে বরিশাল বিভাগে ২১৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭০ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৭০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১৪ জন, রংপুর বিভাগে ৭০ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
আরও পড়ুন
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের দুই সিটি করপোরেশন এলাকাসহ মোট ১৪৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে, খুলনায় ৬৫ জন, চট্টগ্রামে ৩০ জন, বরিশালে ২৬ জন, ময়মনসিংহে ২৫ জন, রাজশাহীতে ২৩ জন, রংপুরে ছয়জন এবং সিলেটে তিনজন মারা গেছেন।
সালমান/
