নিজস্ব প্রতিবেদক · ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ৮:৪২ পূর্বাহ্ন
নিহত হৃদয় কুমার হরিজন (৩৫)। ফাইল ছবি
সিলেট নগররীর কাস্টঘরে হৃদয় কুমার হরিজন (৩৫) হত্যাকাণ্ডের ৩৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মাদক বিক্রিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে হৃদয়কে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো মামলা করা হয়নি। মরদেহ দাহের পর পরিবারের সদস্যরা এজাহার দিতে পারেন। এরপর মামলা রেকর্ড করা হবে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্ত্রীর ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আমিন নামের এক ব্যক্তি ও তাঁর সহযোগীরা হৃদয়কে ছুরিকাঘাত করেন। এতে তার মৃত্যু হয়। তবে পুলিশের ধারণা, এর পেছনে মাদক বিক্রিসংক্রান্ত বিরোধও থাকতে পারে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মাইনুল জাকির বলেন, ‘কাস্টঘরের সুইপার কলোনিতে মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার দিন মাদক বেচাকেনার সময় অভিযুক্ত আমিন গোপনে ছবি তোলেন। দেখে ফেলায় এ নিয়ে হৃদয়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। পরে আমিনসহ তার সহযোগীরা হৃদয়কে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে এ ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি তিনি।’
ওসি বলেন, ‘মাদক বিক্রি নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যাবে।’ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
গত রোববার (১১ অক্টোবর) রাত আটটার দিকে নগরের কাস্টঘর এলাকার সুইপার কলোনিতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
হৃদয়ের ছোট ভাই অজয় কুমার হরিজন অভিযোগ করে বলেন, আমিনসহ কয়েকজন মিলে তাঁর ভাইকে হত্যা করেছেন। ভাবির ছবি তোলার প্রতিবাদ করায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।
গুগলে আমাদের খবর পেতে
