বান্দরবানে প্রবারণা উৎসবের আমেজ
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রবারণা পূর্ণিমাকে ঘিরে বান্দরবানে বইছে উৎসবের আমেজ।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জেলা শহরের স্থানীয় রাজার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রবারণা পূর্ণিমার আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিংপ্রু জেরী ও সংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম উপস্থিত থাকবেন।
এদিকে, উদ্বোধনের পর রাজার মাঠে স্থানীয় শিল্পীদের আয়োজনে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়াও সোমবার সকাল থেকে প্রতিটি বিহারে বিহারে অনুষ্ঠিত হবে ছোয়াইং দান, বুদ্ধ পূজাসহ নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা। বিকালে প্রবারণা পূর্ণিমার মূূল আকর্ষণ রথ টানা হবে। সেখানে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সব বয়সি নারী-পুরুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান করে অংশ নেবেন। পরে সন্ধ্যা থেকে শুরু হবে ফানুষ বাতি উত্তোলন ও হাজার প্রদীপ প্রজ্জলন অনুষ্ঠান।
আরও পড়ুন
মূলত, তিনমাস বর্ষাবাস শেষে পূর্ণিমা তিথিতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের এই প্রবারনা পূর্ণিমা উৎসব পালন করে থাকে।
আরও পড়ুন
শেরপুরে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারক আটক
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫২ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->শেরপুরে বেশি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে অন্তত ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে শেরপুর জেলা শহরের দীঘারপাড় এলাকায় রমজান আলীর শ্বশুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অধিক লাভের প্রলোভন দেখিয়ে রমজান আলী সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়ন, শেরপুর পৌরসভা ও ভাতশালা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকার কৃষক, ধান ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অন্তত ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এরপর থেকেই ভুক্তভোগীদের ব্যবসা বা টাকা কোনো কিছুই বুঝিয়ে না দিয়ে কৌশলে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন রমজান। এ ব্যাপারে থানায় একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে।
আরও পড়ুন
পরে শনিবার রাতে শ্বশুরবাড়িতে অভিযান চালিয়ে রমজান আলীকে আটক করে পুলিশ। তার আটকের খবরে টাকা পাওয়ার দাবি নিয়ে অনেকেই থানায় এসেছেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘অভিযোগ সাপেক্ষে তাকে আটক করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১১ জন লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।’
শাকিল মুরাদ/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
ধলাই নদীতে শত বছরের পলো বাওয়া উৎসব
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম
আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪২ পিএম
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীর পাড়ে রবিবার সকালে অনুষ্ঠিত হয় পলো বাওয়া উৎসব।ছবি: খবরের কাগজ
-->মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ধলাই নদীতে বাঁশের তৈরি পলো হাতে নদীতে সারিবদ্ধভাবে এগিয়ে চলেছেন নানা বয়সি মানুষ। কেউ পলো দিয়ে মাছ ধরার চেষ্টা করছেন, কেউ জাল নিয়ে অপেক্ষায়। নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে দর্শনার্থীরা হাততালি দিয়ে মাছ শিকারিদের উৎসাহ দিচ্ছেন।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে ধলাই নদীতে অনুষ্ঠিত হয় শত বছরেরও বেশি সময়ের ঐতিহ্যবাহী পলো বাওয়া উৎসব। এতে উপজেলার রহিমপুর, ধর্মপুর, রামচন্দ্রপুর, সিদ্ধেশ্বরপুর, দেবীপুর, চৈত্রঘাট ও বড়চেগ গ্রামের সৌখিন মাছ শিকারিরা অংশ নেন।
স্থানীয় লোকজন জানান, কালের বিবর্তনে গ্রামবাংলার নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাভূমিকে ঘিরে গড়ে ওঠা নানা লোকজ ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। এক সময়কার জনপ্রিয় গ্রামীণ উৎসবও কমে যাচ্ছে। এর মধ্যেও ধলাই নদীকে কেন্দ্র করে টিকে আছে পলো বাওয়ার এ আয়োজন।
আরও পড়ুন
পলো বাওয়া হলো বাঁশ দিয়ে বিশেষভাবে তৈরি মাছ ধরার উপকরণ পলো ব্যবহার করে দলবদ্ধভাবে মাছ শিকারের একটি ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি। শুষ্ক মৌসুম পুরোপুরি শুরু না হলেও ধলাই নদীসহ উপজেলার বিভিন্ন ছোট ছড়া, বিল ও জলাশয়ে পানি কমতে শুরু করায় মাছ ধরার এ আয়োজন চলছে।
উৎসবে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা পলোর পাশাপাশি উড়াল জালসহ মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করেন। নদীর অল্প পানিতে একদল শিকারি সারিবদ্ধ ভাবে জাল নিয়ে অপেক্ষা করেন। অন্য দল পলো পানিতে চাপিয়ে সামনে এগিয়ে যান। এভাবে পুঁটি, টেংরা, শোল, রিটা ও বোয়ালসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরার চেষ্টা করেন তারা। এ সময় বড়দের সঙ্গে শিশু-কিশোরদেরও মাছ ধরায় সহযোগিতা করতে দেখা যায়। কারও হাতে পলো, কারও হাতে জাল সব বয়সী মানুষের অংশগ্রহণে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে নদীর পাড়জুড়ে।
তবে এবার উৎসবে অংশ নেওয়া লোকজনের কণ্ঠে ছিল নদীতে মাছ কমে যাওয়ার উদ্বেগ। তাদের অভিযোগ, সম্প্রীতি বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের কারণে ধলাই নদীতে মাছের সংখ্যা কমছে। এতে ঐতিহ্যবাহী পলো বাওয়া উৎসবেও অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কমে আসছে।
ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা ইমাম হোসেন বলেন, বছরের এই দিনটার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করি। তবে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করায় এবার পলো বাওয়ায় মানুষের উপস্থিতি কম ছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল খালিকও বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এভাবে মাছ নিধন বন্ধ না হলে নদীতে মাছ আরও কমে যাবে। এর প্রভাব পড়বে ঐতিহ্যবাহী পলো বাওয়া উৎসবের ওপরও। বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
এলাকার বাসিন্দা ও গণমাধ্যমকর্মী আব্দুল বাছিত খান বলেন, পলো বাওয়া উৎসব শুধু মাছ ধরার আয়োজন নয়, এটি গ্রামীণ মানুষের মিলনমেলা এবং লোকজ সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের আয়োজন মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্প্রীতির বন্ধনও দৃঢ় করে।
তিনি বলেন, নদী-জলাশয় রক্ষা, বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন বন্ধ এবং দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তারের পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে এ ঐতিহ্য আগামী প্রজন্মের জন্যও ধরে রাখা সম্ভব হবে।
পুলক পুরকায়স্থ/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
চাঁদপুরে কোহিনূর হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চাঁদপুরের আলোচিত কোহিনূর হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রফিক ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার ঢাকায় অভিযান চালিয়ে রফিক ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আলিম ও সঙ্গীয় ফোর্স। পরে তাকে চাঁদপুরে নিয়ে আসা হয়।
আরও পড়ুন
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২২ আগস্ট চাঁদপুর পৌরসভার রহমতপুর কলোনিতে কোহিনূর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রধান আসামি নাজমা আক্তার নয়নের বসতঘরের ভেতরে কোহিনূরকে হত্যা করে মরদেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় কোহিনূরের স্বামী আব্দুল মান্নান খান বাদী হয়ে ২৩ আগস্ট চাঁদপুর সদর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিক ওরফে ধান্দা রফিক দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৩০ জুন তৎকালীন চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. মহসিনুল হক কোহিনূর হত্যা মামলায় আসামি নাজমা আক্তার ও রফিক ভূঁইয়া ওরফে ধান্দা রফিককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। অপরদিকে, মামলার প্রধান আসামি নাজমা আক্তার নয়নকে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি একই পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার করে আদালতে নেওয়া হয়।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আসামিকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ’
ফয়েজ আহমেদ/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
টেকনাফে ৩ কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৩ পিএম
আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->কক্সবাজারের টেকনাফে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১০ লাখ ১০ হাজার ৮০০ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৩ লাখ ২৪ হাজার টাকা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত টেকনাফ পৌরসভার লামার বাজারে বিভিন্ন দোকানে এ অভিযান চালানো হয়। পরে জব্দ করা কারেন্ট জাল কায়ূকখালী খালের পাড়ে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা প্রশাসন, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি), উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর, টেকনাফ মডেল থানা ও টেকনাফ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা অংশ নেন।
আরও পড়ুন
অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মায়ানমার থেকে বিভিন্ন অবৈধ পথে কারেন্ট জাল টেকনাফে ঢুকছে। পরে এসব জাল বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করা হচ্ছে। পাশাপাশি সাগর ও নাফ নদীতে মাছ ধরার কাজেও এসব জাল ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কারেন্ট জাল খুবই চিকন হওয়ায় মাছের পোনা থেকে শুরু করে ছোট-বড় বিভিন্ন মাছ, চিংড়ি ও অন্যান্য জলজ প্রাণী এতে আটকা পড়ে। ফলে মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়। এতে ভবিষ্যতে নদী ও সাগরে মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে, টেকনাফ পৌরসভা লামার বাজারে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দের পর স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে বাজারের পাশাপাশি টেকনাফের বিভিন্ন বোটঘাট ও মাছ ধরার নৌযানে এসব জাল মজুত ও ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, টেকনাফ পৌরসভার কায়ূকখালী বোটঘাট, নাইট্যংপাড়া, মহেষখালীয়া পাড়া, তুলাতলী, লম্বরী, রাজারছড়া, হাবিবছড়া ও মিঠাপানিরছড়া এলাকায় থাকা বিভিন্ন মাছ ধরার বোটে কারেন্ট জাল রয়েছে। এ ছাড়া শাহপরীরদ্বীপের মিস্ত্রি পাড়া, ঘোলাচর, পশ্চিম পাড়া, সাদীরপাড়া ও দক্ষিণপাড়া এলাকায়ও এসব জাল ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালী পাড়া, শীলখালী, বড় ডেইল, কচ্ছপিয়া ও মাথাভাঙ্গা এবং সাবরাং ইউনিয়নের কাটাবনিয়া, বাহারছড়া, খুরেরমুক ও মুন্ডার ডেইল নৌঘাটেও মাছ ধরার বোটে কারেন্ট জাল ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় জেলেরা বলেন, বাজার ও দোকানে অভিযান চালিয়ে কারেন্ট জাল জব্দ করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু বাজারে অভিযান চালিয়ে এর ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব নয়। সাগর ও নাফ নদীতে মাছ ধরার বোট গুলোতেও নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে। তাদের দাবি, যেসব বোটে কারেন্ট জাল মজুত বা ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলো চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে অবৈধ কারেন্ট জালের সরবরাহকারী, বিক্রেতা ও ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
টেকনাফ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আতিকুর হক বলেন, ‘যৌথ বাহিনীর অভিযান চলমান রয়েছে। টেকনাফের সব নৌঘাটে মাছ ধরার বোটে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। কারেন্ট জাল পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’
উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহরুল হক জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বাজার ও দোকানের পাশাপাশি টেকনাফের বিভিন্ন বোটঘাট, নাফ নদী ও সাগরে মাছ ধরার নৌযানগুলোতেও নিয়মিত অভিযান চালানো হবে। এতে কারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধের পাশাপাশি টেকনাফের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে প্রশাসনের এ উদ্যোগ।
শাহীন টেকনাফ/খাদিজা রুমি/
