Published on
:
1 min read
প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, সমুদ্রের গভীরে অজানা জগতের হাতছানি আর পরিবেশ রক্ষার দায়বদ্ধতা—এই তিনের মেলবন্ধনেই জীবনের নতুন অধ্যায় খুঁজে নিচ্ছেন অভিনেতা বাবিল খান। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের স্কুবা ডাইভিংয়ের যাত্রা নতুন সাফল্যের কথা জানিয়েছেন বাবিল। সম্পরতি স্পেশ্যালিটি ডাইভার সার্টিফিকেশন পেয়েছেন তিনি। এর আগে অ্যাডভান্সড স্কুবা ডাইভিংয়ের শংসাপত্র পেয়েছিলেন বাবিল। এ বার ডাইভিংয়ের দক্ষতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলেন অভিনেতা।
নিজের এই নতুন সাফল্যের কথা জানাতে গিয়ে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার কথাও তুলে ধরেছেন বাবিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, 'মনের গভীরে আমি যেন সেই দ্বীপের ছেলে, প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতেই সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে।' তাঁর এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট, স্কুবা ডাইভিং কেবল একটি শখ নয়, প্রকৃতির সঙ্গে নিজের সম্পর্ক আরও নিবিড় করে তোলারও একটি মাধ্যম।
তবে শুধু নিজের ডাইভিংয়ের অভিজ্ঞতা কিংবা নতুন শংসাপত্র অর্জনের আনন্দেই আটকে থাকেননি বাবিল। একই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। আধুনিক নগরজীবন, ভোগবাদ এবং পুঁজিবাদী সংস্কৃতির মধ্যে থাকতে থাকতে মানুষ কী ভাবে প্রকৃতির সঙ্গে নিজের সম্পর্ক থেকে ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেতা
তাঁর মতে, আধুনিক পুঁজিবাদী ব্যবস্থার কেন্দ্র হয়ে ওঠা বড় বড় শহরের সংস্কৃতি মানুষকে এমন একটা ধারণা দেয় যে পরিবেশ সংরক্ষণ বুঝি ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। নিজের চারপাশের প্রচলিত ধারণা থেকে একটু সরে এসে বাস্তবকে নতুন করে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
