সাত বছরের বেশি সময় পর আবারও মুখোমুখি হতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন। আগামী মাসে এশিয়া সফরে কিমের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
গত সোমবার (১২ অক্টোবর) হোয়াইট হাউস থেকে ওহাইও যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। এসময় তিনি জানান, এশিয়া সফরে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে তার।
বিজ্ঞাপন
কিমের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো উল্লেখ করে ট্রাম্প সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আগামী ১৬ নভেম্বর ফিলিপাইনে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। এরপর ১৭ থেকে ১৯ নভেম্বর চীনের শেনজেনে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা (এপেক) সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
এশিয়া সফরের সময় এসব সম্মেলনের কোনো একটির ফাঁকে কিমের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, এ বিষয়ে এখনো যুক্তরাষ্ট্র বা উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
এর আগে, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে কিম জং-উনের সঙ্গে তিনবার সরাসরি বৈঠক হয়েছিল। ২০১৮ সালের ১২ জুন সিঙ্গাপুরে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসেন দুই নেতা। ওই বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।
এরপর ২০১৯ সালের ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি ভিয়েতনামের হ্যানয়ে দ্বিতীয়বার বৈঠক করেন ট্রাম্প ও কিম। তবে, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় তাদের আলোচনা।
বিজ্ঞাপন
একই বছরের ৩০ জুন দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যবর্তী অসামরিকীকৃত অঞ্চলের পানমুনজমে তৃতীয়বারের মতো মুখোমুখি হন দুই নেতা।
ওই বৈঠকের সময় সামরিক সীমারেখা পেরিয়ে উত্তর কোরিয়ার ভূখণ্ডে পা রাখেন ট্রাম্প। দায়িত্বে থাকা কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের উত্তর কোরিয়ার মাটিতে পা রাখার সেটিই ছিল প্রথম ঘটনা।
বিজ্ঞাপন
এরপর থেকে ট্রাম্প ও কিমের আর সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি। আগামী নভেম্বরে এশিয়া সফরের সময় তাদের বৈঠক হলে সাত বছরের বেশি সময় পর আবারও মুখোমুখি হবেন দুই নেতা। তবে, এখন পর্যন্ত এ বৈঠকের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
এমআরএইচ/
ফলো করুন
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।
